সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ি-ভীমগড় রেলপথে বিভিন্ন লেভেল ক্রসিং বন্ধ করে আন্ডারপাস তৈরি হয়েছে। কিন্তু বর্ষার সময় ছাড়াও সেই সমস্ত আন্ডারপাসে রোজ জল জমছে। ফলে পথচারীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। আশপাশের জমি ও নর্দমার জল এসব আন্ডারপাসে জমা হচ্ছে। ফলে বেশিরভাগ সময়ই সেগুলি জলমগ্ন থাকছে। ঝুঁকি নিয়ে স্কুলপড়ুয়া ও সাধারণ মানুষকে ওই পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলের তরফে অবৈজ্ঞানিকভাবে এসব আন্ডারপাস তৈরি করা হয়েছিল। এলাকার জমির তুলনায় সেগুলি অনেকখানি নিচু। তার উপর সঠিক নিকাশি ব্যবস্থা না থাকায় জল বের করার উপায়ও থাকছে না। আন্ডারপাসে আলোর কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে সন্ধ্যায় সেখানে জল জমে থাকলে মানুষের যাতায়াতে খুব সমস্যা হয়। দুবরাজপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পীযূষ পাণ্ডে বলেন, রেলের তরফে এসব আন্ডারপাস বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে তৈরি হয়নি। বর্ষাকাল ছাড়াও বছরের অন্য সময় আশপাশের চাষের জমি ও নর্দমার জল আন্ডারপাসে জমে থাকছে। ওই রেলপথে আবদারপুরের কাছেই একটি আন্ডারপাস রয়েছে। জাতীয় সড়কের বাইপাস রাস্তা হিসেবে বহু মানুষ ওই রাস্তা ব্যবহার করেন। এই রেলপথের কচুজোর স্টেশনে কাছে আরও একটি আন্ডারপাস রয়েছে। কচুজোর স্টেশনে ট্রেন ধরতে আসা প্রচুর যাত্রী রোজ সেটি ব্যবহার করেন। এলাকার প্রায় সাত-আটটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তার উপর নির্ভরশীল। এছাড়া, চিনপাই ও দুবরাজপুর স্টেশনের কাছে আলমবাবার মাজার ও নীলনির্জন ড্যাম যাওয়ার রাস্তায় আরও একটি আন্ডারপাস রয়েছে। এখন বর্ষাকাল নয়। কিন্তু আশপাশের জমি ও নর্দমার জল এই সমস্ত আন্ডারপাসে সবসময় জমে থাকছে। বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় বলে অভিযোগ। দুবরাজপুরের আলমবাবার মাজার এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার শেখ বলেন, রেল এই আন্ডারপাসটা কী পদ্ধতিতে বানিয়েছে জানি না। কিন্তু আন্ডারপাসের রাস্তা আশপাশের এলাকা থেকে অনেক নিচু। তাই আশপাশের জল আন্ডারপাসের নীচে জমবেই। আর সেটাই হচ্ছে। পাম্পের সাহায্যে জল বের করার একটা ব্যবস্থা আছে বলে শুনেছি। কিন্তু কোনওদিন ওভাবে জল বের করতে দেখিনি।



