সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: দোকানদারদের আবেদনে সাড়া দিয়ে রেল কর্তৃপক্ষ বেআইনি দোকান সরানোর সময়সীমা আরও একমাস বাড়াল। নবদ্বীপ বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশনের প্লাটফর্ম ও স্টেশন বিল্ডিংয়ের আশপাশের বেআইনি দোকান সরানোর সময়সীমা বৃদ্ধিতে দোকানদাররা আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে রেল আধিকারিকরা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে আসেন। তখন দোকানদাররা রেলের কাছে একমাস সময় বাড়ানোর আবেদন জানান। নিজেরাই দোকান সরিয়ে নেবেন বলেও তাঁরা জানিয়েছেন।
Advertisement
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশনের প্লাটফর্ম লাগোয়া রেলের জায়গায় ৪৩টি দোকান রয়েছে। দোকানগুলির জন্য যাত্রীদের যাতায়াতে সমস্যা হয়। এ নিয়ে যাত্রীরা বিস্তর অভিযোগ করেন। তাই মূলত যাত্রীস্বার্থে গত ২৩ জানুয়ারি রেলের সীমানায় থাকা প্লাটফর্ম লাগোয়া বেআইনি দোকানগুলি সরিয়ে নেওয়ার নোটিস জারি করে রেল। সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও দোকান সরানো হয়নি। একারণেই মঙ্গলবার আরপিএফ এবং রেলের আধিকারিকরা দোকান উচ্ছেদ করতে আসেন। পরে দোকানদারদের আবেদনের বিষয়টি রেল আধিকারিকরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপরই আজকের মতো উচ্ছেদ কাজ বন্ধ করে রেল।
নবদ্বীপ ধাম স্টেশনের পূর্ব রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, দোকান সরিয়ে নেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩০ জানুয়ারি। দোকানদাররা চলতি মাসের ২৮ তারিখ অবধি সময় চেয়েছেন। তারপর তাঁরা নিজেরাই দোকান সরিয়ে নেবেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তাই ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকান না সরালে রেল আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে।
নবদ্বীপ পুরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৃন্দাবন মণ্ডল বলেন, ওই দোকানদাররা রেলের কাছে জানিয়েছেন, সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা। আরও তাঁদের অনেকের ছেলেমেয়েই মাধ্যমিক দেবে। এই ব্যবসার উপর তাঁদের রুজিরুটি নির্ভর করে। একমাস তাদের সময় দেওয়া হোক। ওঁদের জন্য রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় মিটিংও করা হয়েছে। উন্নয়ন যে মুহূর্তে শুরু হবে তৎক্ষণাৎ দোকানগুলি সরিয়ে নেওয়া হবে, এব্যাপারে প্রত্যেকেই একমত। এদিন ওই দোকানদারদের পাশে এসে দাঁড়ান তৃণমূলের শ্রমিক নেতা ভানু সাহা ও সুজিত সরকার।
নবদ্বীপ ধাম স্টেশনের পূর্ব রেলের ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, দোকান সরিয়ে নেওয়ার শেষ দিন ছিল ৩০ জানুয়ারি। দোকানদাররা চলতি মাসের ২৮ তারিখ অবধি সময় চেয়েছেন। তারপর তাঁরা নিজেরাই দোকান সরিয়ে নেবেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তাই ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকান না সরালে রেল আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে।
নবদ্বীপ পুরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৃন্দাবন মণ্ডল বলেন, ওই দোকানদাররা রেলের কাছে জানিয়েছেন, সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা। আরও তাঁদের অনেকের ছেলেমেয়েই মাধ্যমিক দেবে। এই ব্যবসার উপর তাঁদের রুজিরুটি নির্ভর করে। একমাস তাদের সময় দেওয়া হোক। ওঁদের জন্য রেলের আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় মিটিংও করা হয়েছে। উন্নয়ন যে মুহূর্তে শুরু হবে তৎক্ষণাৎ দোকানগুলি সরিয়ে নেওয়া হবে, এব্যাপারে প্রত্যেকেই একমত। এদিন ওই দোকানদারদের পাশে এসে দাঁড়ান তৃণমূলের শ্রমিক নেতা ভানু সাহা ও সুজিত সরকার।



