সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বিষ্ণুপুরের উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের প্রস্তাব জমা দিলেন বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। তার মধ্যে রয়েছে এমআইটি মোড় থেকে লাইট হাউস মোড় পর্যন্ত বাইপাস। প্রকাশঘাটে দ্বারকেশ্বরের উপর সেতু নির্মান, রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যাণ্ড থেকে লালবাঁধ পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণ, ভগৎ সিং মোড় বাইপাসে পর্যটকদের ও সরকারি বাসের জন্য স্ট্যাণ্ডের আধুনিকিকরণ এবং মোক্তার বারের সংস্কার। কয়েকদিন আগে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ওই সংক্রান্ত প্রস্তাব জমা দেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ।
Advertisement
বিধায়ক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি পুর্ত দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায়ের কাছেও পাঁচটি উন্নয়নমূলক কাজের প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী পর্যটনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। তাই আশা করি এই প্রকল্পগুলিতেও তিনি ছাড়পত্র দেবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাচীন শহর হওয়ায় বিষ্ণুপুরের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ। শহরের বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজটে জেরবার হন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে মেদিনীপুর-বাঁকুড়া রুটের যানবাহন ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চলাচল করে। অন্যদিকে বাঁকুড়া-আরামবাগ রুটের যানবাহন ভগৎ সিং মোড়ের বাইপাস দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু মেদিনীপুর-আরামবাগ রুটের যানবাহনকে বিড়াই মোড়, ভগৎ সিং মোড় হয়ে ঘুরপথে চলাচল করতে হয়। সেজন্য অনেক ছোট গাড়ি শহরের ভেতর দিয়ে কাটানধারে গিয়ে আরামবাগ গামী রাস্তা ধরে। তাতে শহরে যানজট সৃষ্টি হয়। তাই ওই রুটের যানবাহনের জন্য একটি বাইপাসের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি উঠেছে। সেই মতো বিধায়ক এমআইটি মোড় থেকে থেকে লাইটহাউস মোড় পর্যন্ত একটি বাইপাস রাস্তার প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দেন।
অন্যদিকে প্রকাশঘাটে দ্বারকেশ্বর নদের উপর সেতু তৈরির দাবি দীর্ঘদিনের। বর্ষাকালে ওই এলাকায় যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বাকি সময় বালির রাস্তা তৈরি করে যানবাহন চলাচল করে। সেখানে যাতে একটি পাকা সেতু তৈরি করা হয়। তার জন্য বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেন। এছাড়াও পর্যটন ক্ষেত্র এলাকায় যাওয়ার জন্য রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যাণ্ড থেকে কলেজ রোড হয়ে যেতে হয়। তাই ওই রাস্তা সম্প্রসারনেরও প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে ভগৎ সিং মোড়ের কাছে বাইপাসে অবস্থিত পরিত্যক্ত বাসস্ট্যাণ্ডটিকে সরকারি বাসের স্ট্যাণ্ড এবং পর্যটকদের বাসের জন্য পার্কিং জোন হিসাবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন। বর্তমানে পর্যটকদের বাস শহরের পোড়ামাটির হাটের কাছে পার্কিং করে। এছাড়াও রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যাণ্ডেও বেশ কিছু বাস পার্কিং করে।
তাতে পর্যটকদের অসুবিধা হয়। তাই বাইপাসে পরিত্যক্ত বাসস্ট্যাণ্ডে শৌচালয়, পর্যটকদের রান্নার শেড সহ যাবতীয় পরিকাঠামো গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিষ্ণুপুর মহকুমা ট্রেজারি বিল্ডিংয়ের কাছে একটি পরিত্যক্ত মোক্তারবার রয়েছে। কোনও একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে ওই মোক্তারবারে এসেছিলেন স্বয়ং রামকৃষ্ণদেব। তাই হেরিটেজ পর্যায়ের ওই ভবনটিকে সংরক্ষণ এবং সংস্কারের জন্যও বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাচীন শহর হওয়ায় বিষ্ণুপুরের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ। শহরের বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানজটে জেরবার হন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে মেদিনীপুর-বাঁকুড়া রুটের যানবাহন ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে চলাচল করে। অন্যদিকে বাঁকুড়া-আরামবাগ রুটের যানবাহন ভগৎ সিং মোড়ের বাইপাস দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু মেদিনীপুর-আরামবাগ রুটের যানবাহনকে বিড়াই মোড়, ভগৎ সিং মোড় হয়ে ঘুরপথে চলাচল করতে হয়। সেজন্য অনেক ছোট গাড়ি শহরের ভেতর দিয়ে কাটানধারে গিয়ে আরামবাগ গামী রাস্তা ধরে। তাতে শহরে যানজট সৃষ্টি হয়। তাই ওই রুটের যানবাহনের জন্য একটি বাইপাসের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি উঠেছে। সেই মতো বিধায়ক এমআইটি মোড় থেকে থেকে লাইটহাউস মোড় পর্যন্ত একটি বাইপাস রাস্তার প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জমা দেন।
অন্যদিকে প্রকাশঘাটে দ্বারকেশ্বর নদের উপর সেতু তৈরির দাবি দীর্ঘদিনের। বর্ষাকালে ওই এলাকায় যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বাকি সময় বালির রাস্তা তৈরি করে যানবাহন চলাচল করে। সেখানে যাতে একটি পাকা সেতু তৈরি করা হয়। তার জন্য বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দেন। এছাড়াও পর্যটন ক্ষেত্র এলাকায় যাওয়ার জন্য রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যাণ্ড থেকে কলেজ রোড হয়ে যেতে হয়। তাই ওই রাস্তা সম্প্রসারনেরও প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে ভগৎ সিং মোড়ের কাছে বাইপাসে অবস্থিত পরিত্যক্ত বাসস্ট্যাণ্ডটিকে সরকারি বাসের স্ট্যাণ্ড এবং পর্যটকদের বাসের জন্য পার্কিং জোন হিসাবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন। বর্তমানে পর্যটকদের বাস শহরের পোড়ামাটির হাটের কাছে পার্কিং করে। এছাড়াও রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যাণ্ডেও বেশ কিছু বাস পার্কিং করে।
তাতে পর্যটকদের অসুবিধা হয়। তাই বাইপাসে পরিত্যক্ত বাসস্ট্যাণ্ডে শৌচালয়, পর্যটকদের রান্নার শেড সহ যাবতীয় পরিকাঠামো গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিষ্ণুপুর মহকুমা ট্রেজারি বিল্ডিংয়ের কাছে একটি পরিত্যক্ত মোক্তারবার রয়েছে। কোনও একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে ওই মোক্তারবারে এসেছিলেন স্বয়ং রামকৃষ্ণদেব। তাই হেরিটেজ পর্যায়ের ওই ভবনটিকে সংরক্ষণ এবং সংস্কারের জন্যও বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন।



