সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: কথা দিয়ে কথা রাখলেন বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। বিষ্ণুপুরের উন্নয়নে তিনটি প্রকল্পে ২৯লক্ষ টাকা বরাদ্দ করলেন তিনি। এগুলি হল-শহরের প্রবেশপথে কাটানধারে তোরণের কাছে নেতাজি সুভাষ উদ্যান, স্টেডিয়ামে ইন্ডোর ব্যাডমিন্টন কোর্ট ও রামানন্দ কলেজের সামনে পর্যটকদের বসার শেড। মঙ্গলবার জেলাশাসকের মাধ্যমে বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসকের কাছে বরাদ্দ টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
তন্ময়বাবু বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তিনটি প্রকল্পের জন্য বিধায়ক তহবিল থেকে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তারপরই কাজ আরম্ভ করা হবে।
গত বছর ২৩ জানুয়ারি নেতাজি জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কাটানধারে প্রবেশ তোরণের কাছে একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেখানে বিধায়ক নেতাজি সুভাষ উদ্যান তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেজন্য বিধায়ক তহবিল থেকে ১০লক্ষ টাকা দেবেন বলেছিলেন। ওই প্রকল্পের বরাদ্দ বাড়িয়ে তিনি ১৫ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছেন। ওই টাকায় উদ্যান তৈরির পাশাপাশি সেখানে নেতাজির একটি মূর্তিও স্থাপন করা হবে। বিষ্ণুপুর স্টেডিয়ামে বহুদিন ধরে ইন্ডোর ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরির দাবি জানিয়ে আসছিলেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। কিছুদিন আগেই জেলাশাসকের সঙ্গে ওই জায়গা পরিদর্শনে যান বিধায়ক। তারপরই প্রকল্পের জন্য ১২লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেন তিনি। স্টেডিয়ামের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে তা তৈরি হবে।
ঐতিহাসিক লালবাঁধ দেখতে এসে অনেক পর্যটক রামানন্দ কলেজের পিছনে আশ্রম লাগোয়া নিরিবিলি পরিবেশে বসেন। সেখানেই রয়েছে সর্বমঙ্গলা মন্দির। কথিত আছে, স্বয়ং শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব বিষ্ণুপুরে আসার পথে সেখানে একটি গাছের তলায় বিশ্রাম নিয়েছিলেন। তাই জায়গাটির প্রতি ভক্তদের আলাদা আবেগ রয়েছে। সেখানে পর্যটকদের বসার জন্য শেড তৈরির পাশাপাশি সৌন্দর্যায়ন করা হবে। এজন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শহরের বাসিন্দারা জানান, কলকাতা, আরামবাগের দিক থেকে বিষ্ণুপুর শহরে ঢুকতে কাটানধার গেট পেরতে হয়। সেখান থেকে দু’টি রাস্তা চলে গিয়েছে। একটি শহরের ভিতরের দিকে গিয়েছে। অপরটি বাইপাস রাস্তা। সেটি বাঁকুড়া চলে গিয়েছে। সেই তেপথির মাঝে একটি উদ্যান তৈরির উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ফুলের বাগান তৈরি করে তা সুন্দরভাবে সাজানো হলে পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় হবে।
গত বছর ২৩ জানুয়ারি নেতাজি জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কাটানধারে প্রবেশ তোরণের কাছে একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেখানে বিধায়ক নেতাজি সুভাষ উদ্যান তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেজন্য বিধায়ক তহবিল থেকে ১০লক্ষ টাকা দেবেন বলেছিলেন। ওই প্রকল্পের বরাদ্দ বাড়িয়ে তিনি ১৫ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করেছেন। ওই টাকায় উদ্যান তৈরির পাশাপাশি সেখানে নেতাজির একটি মূর্তিও স্থাপন করা হবে। বিষ্ণুপুর স্টেডিয়ামে বহুদিন ধরে ইন্ডোর ব্যাডমিন্টন কোর্ট তৈরির দাবি জানিয়ে আসছিলেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। কিছুদিন আগেই জেলাশাসকের সঙ্গে ওই জায়গা পরিদর্শনে যান বিধায়ক। তারপরই প্রকল্পের জন্য ১২লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেন তিনি। স্টেডিয়ামের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে তা তৈরি হবে।
ঐতিহাসিক লালবাঁধ দেখতে এসে অনেক পর্যটক রামানন্দ কলেজের পিছনে আশ্রম লাগোয়া নিরিবিলি পরিবেশে বসেন। সেখানেই রয়েছে সর্বমঙ্গলা মন্দির। কথিত আছে, স্বয়ং শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব বিষ্ণুপুরে আসার পথে সেখানে একটি গাছের তলায় বিশ্রাম নিয়েছিলেন। তাই জায়গাটির প্রতি ভক্তদের আলাদা আবেগ রয়েছে। সেখানে পর্যটকদের বসার জন্য শেড তৈরির পাশাপাশি সৌন্দর্যায়ন করা হবে। এজন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শহরের বাসিন্দারা জানান, কলকাতা, আরামবাগের দিক থেকে বিষ্ণুপুর শহরে ঢুকতে কাটানধার গেট পেরতে হয়। সেখান থেকে দু’টি রাস্তা চলে গিয়েছে। একটি শহরের ভিতরের দিকে গিয়েছে। অপরটি বাইপাস রাস্তা। সেটি বাঁকুড়া চলে গিয়েছে। সেই তেপথির মাঝে একটি উদ্যান তৈরির উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ফুলের বাগান তৈরি করে তা সুন্দরভাবে সাজানো হলে পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় হবে।



