সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সরস্বতী পুজো না করায় মঙ্গলবার স্কুলে আসতেই প্রধান শিক্ষককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন বিষ্ণুপুরের যমুনাবাঁধ কলোনির বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সরস্বতী পুজো না হওয়ায় গ্রামের খুদে পড়ুয়ারা সেজে গুজে এসেও ফিরে যায়। তারপরেই অভিভাবকরা স্কুল তালাবন্ধ দেখে একপ্রস্থ বিক্ষোভ দেখান। মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসার পরেই বাসিন্দারা একজোট হয়ে বিক্ষোভ দেখান। যদিও প্রধান শিক্ষক নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। তিনি সাফ জানান, বিদ্যালয়ে পুজো করতেই হবে তার কোনও সরকারি নির্দেশ নেই। তাই তিনি পুজোর আয়োজন করেননি। তাতে অভিভাবকরা হতাশ হন।
Advertisement
এব্যাপারে যমুনাবাঁধ কলোনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব শিকারি বলেন, ২০২৪সালে সহকারী শিক্ষিকা অবসর নেওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়ে আমিই একমাত্র শিক্ষক রয়েছি। আমার একার পক্ষে পুজোর যাবতীয় ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। তাছাড়া সরস্বতী পুজোর জন্য সরকারি কোনও ফান্ড নেই। তাই পুজোর আয়োজন করা হয়নি।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, প্রতি বছর স্কুলে সরস্বতী পুজো হয়। আগে একজন দিদিমণি ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ভালভাবে পুজো হতো। পড়ুয়ারা আনন্দ করত। এবারও পুজো হবে মনে করে আমাদের ছেলেমেয়েদের সাজিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। কেউ কেউ অঞ্জলি দেবে বলে চাল-পয়সাও নিয়ে যায়। কিন্তু স্কুল তালাবন্ধ দেখে ওরা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে আসে। মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসার পরই আমরা তাঁকে পুজো না করার কারণ জানতে চাই। কিন্তু তিনি আমাদের কথার সদুত্তর দেননি। সেজন্য আমরা কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখাই।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, প্রতি বছর স্কুলে সরস্বতী পুজো হয়। আগে একজন দিদিমণি ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ভালভাবে পুজো হতো। পড়ুয়ারা আনন্দ করত। এবারও পুজো হবে মনে করে আমাদের ছেলেমেয়েদের সাজিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল। কেউ কেউ অঞ্জলি দেবে বলে চাল-পয়সাও নিয়ে যায়। কিন্তু স্কুল তালাবন্ধ দেখে ওরা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে আসে। মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসার পরই আমরা তাঁকে পুজো না করার কারণ জানতে চাই। কিন্তু তিনি আমাদের কথার সদুত্তর দেননি। সেজন্য আমরা কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখাই।



