সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বিষ্ণুপুরে এমআইটি মোড় এলাকায় সাঁইবাবার মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। শুক্রবার ভূমিপুজো ও যজ্ঞের মাধ্যমে তার সূচনা হয়। বেনারস থেকে পুরোহিতরা এদিন উদ্বোধনপর্ব শুরু করেন। রবিবার সাঁইবাবার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। আয়োজকরা জানিয়েছে, রবিবার ভক্তদের প্রসাদ বিলি হবে।
Advertisement
বিষ্ণুপুর সাঁই সংস্থানের অন্যতম কর্মকর্তা দেবব্রত ঘোষ বলেন, মহারাষ্ট্রের সিরডি সাঁইবাবার প্রচুর ভক্ত বিষ্ণুপুর তথা বাঁকুড়া জেলায় রয়েছে। কিন্তু, এলাকায় বড় কোনও মন্দির নেই। এদিকে ভক্তরা দূরত্বের কারণে সিরডিতে যেতে পারেন না। মূলত তাঁদের কথা ভেবেই প্রায় ৪০ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে। রাজস্থান থেকে সাঁইবাবার পাথরের বিগ্রহ আনা হয়েছে। হোম সহ বিশেষ পুজোর মাধ্যমে শুক্রবার মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। রবিবার পর্যন্ত তা চলবে। ওইদিনই বাবার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর-জয়পুর মেন রাস্তার ধারে অবস্থিত সাঁইবাবার মন্দির পরিচালনার জন্য একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। নিত্যপুজোর পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে একদিন করে প্রসাদ বিলি করা হবে। তার জন্য একটি বিশাল আকারের শেড তৈরি করা হয়েছে। প্রায় আড়াই বিঘা জমির উপর তৈরি মন্দির প্রাঙ্গণে ফুলের বাগান তৈরি করা হয়েছে। শিশুদের খেলার জন্য দোলনাও তৈরি করা হয়েছে। ভক্তদের বসার জন্য আসনও বসানো হয়েছে। সব মিলিয়ে বিষ্ণুপুরে সাঁইবাবার মন্দিরকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় তাঁরা বাবার মন্দিরে নিয়মিত আসতে পারবেন। শুক্রবার সকালে বিশেষ পুজো হয়। পরে মণ্ডপ প্রবেশ, কর্মকুটি জলাধিবাস অনুষ্ঠান হয়। আজ, শনিবার সকালে বিশেষ পুজো, অন্তাধিবাস, ব্রতঅধিবাস ও বিগ্রহস্থাপন, শিখর, শয়ানাধিবাস প্রভৃতি অনুষ্ঠান হবে। আগামিকাল, রবিবার মূর্তিন্যাস প্রতিষ্ঠা এবং মণ্ডরা অনুষ্ঠান হবে।
মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর-জয়পুর মেন রাস্তার ধারে অবস্থিত সাঁইবাবার মন্দির পরিচালনার জন্য একটি ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। নিত্যপুজোর পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে একদিন করে প্রসাদ বিলি করা হবে। তার জন্য একটি বিশাল আকারের শেড তৈরি করা হয়েছে। প্রায় আড়াই বিঘা জমির উপর তৈরি মন্দির প্রাঙ্গণে ফুলের বাগান তৈরি করা হয়েছে। শিশুদের খেলার জন্য দোলনাও তৈরি করা হয়েছে। ভক্তদের বসার জন্য আসনও বসানো হয়েছে। সব মিলিয়ে বিষ্ণুপুরে সাঁইবাবার মন্দিরকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় তাঁরা বাবার মন্দিরে নিয়মিত আসতে পারবেন। শুক্রবার সকালে বিশেষ পুজো হয়। পরে মণ্ডপ প্রবেশ, কর্মকুটি জলাধিবাস অনুষ্ঠান হয়। আজ, শনিবার সকালে বিশেষ পুজো, অন্তাধিবাস, ব্রতঅধিবাস ও বিগ্রহস্থাপন, শিখর, শয়ানাধিবাস প্রভৃতি অনুষ্ঠান হবে। আগামিকাল, রবিবার মূর্তিন্যাস প্রতিষ্ঠা এবং মণ্ডরা অনুষ্ঠান হবে।



