নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বুধবার ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিলেন বিষ্ণুপুর পুরসভার সাফাই কর্মীরা। এদিন সকাল থেকে তাঁরা নিজ নিজ কাজে যোগ দেন। ফলে মন্দিরনগরীতে জঞ্জাল সাফাই নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা এদিন কেটে যায়।
Advertisement
উল্লেখ্য, বেতন বৃদ্ধি, পিএফ চালু সহ একগুচ্ছ দাবিতে মঙ্গলবার থেকে পুরসভার প্রায় ৩৫০জন সাফাই কর্মী কাজ বন্ধ রেখে ধর্মঘট শুরু করেন। দাবি পূরণে লিখিত প্রতিশ্রুতি না মেলা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে ধর্মঘটীরা হুঁশিয়ারি দেন। জট কাটাতে আসরে নামেন পুর চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী। আগামী অর্থ বর্ষ থেকে বেতন বৃদ্ধি করা হবে বলে চেয়ারম্যান আশ্বাস দেন। বাকি দাবিদাওয়াও খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে গৌতমবাবু প্রতিশ্রুতি দেন। তারপরেই সাফাই কর্মীরা কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের আমলেই সাফাই কর্মীদের বেতন বেড়ে দৈনিক ২১০ টাকা হয়েছে। কর্মীদের পুজোর বোনাস সহ অন্যান্য সুবিধাও দেওয়া হয়। মঙ্গলবার রাতে আমি কর্মীদের সঙ্গে ধর্মঘট প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা করি। তাতেই জট কেটেছে। আমরা অন্যান্য দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।
ধর্মঘটী সাফাই কর্মী ইউনিয়নের সহ সম্পাদক দিলীপ বাউরি বলেন, আমরা দৈনিক ২১০ টাকা মজুরিতে কাজ করি। অথচ রাজ্য সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি তার থেকে অনেক বেশি। পিএফ সহ অন্যান্য সুবিধা থেকেও আমরা দীর্ঘদিন বঞ্চিত রয়েছি। সেই কারণে কাজ বন্ধ রেখে মঙ্গলবার থেকে আন্দোলনে নেমেছিলাম। দ্রুত বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে চেয়ারম্যান আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাকি দাবিদাওয়াও ধীরে ধীরে মেটানো হবে বলে পুর কর্তৃপক্ষের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে এদিন থেকে আমরা কাজে ফিরেছি। দাবিপূরণ না হলে আগামী বছরে ফের আন্দোলন শুরু হবে।
ধর্মঘটী সাফাই কর্মী ইউনিয়নের সহ সম্পাদক দিলীপ বাউরি বলেন, আমরা দৈনিক ২১০ টাকা মজুরিতে কাজ করি। অথচ রাজ্য সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি তার থেকে অনেক বেশি। পিএফ সহ অন্যান্য সুবিধা থেকেও আমরা দীর্ঘদিন বঞ্চিত রয়েছি। সেই কারণে কাজ বন্ধ রেখে মঙ্গলবার থেকে আন্দোলনে নেমেছিলাম। দ্রুত বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে চেয়ারম্যান আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাকি দাবিদাওয়াও ধীরে ধীরে মেটানো হবে বলে পুর কর্তৃপক্ষের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে এদিন থেকে আমরা কাজে ফিরেছি। দাবিপূরণ না হলে আগামী বছরে ফের আন্দোলন শুরু হবে।



