সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: মেলার দিনগুলিতে বিষ্ণুপুরের রবীন্দ্র স্ট্যাচু থেকে কেজি কলেজের মোড় পর্যন্ত নো-এন্ট্রি জোন করা হবে। বুধবার বিষ্ণুপুর থানায় মেলার ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেই এব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। দর্শনার্থীদের যানবাহন রাখার জন্য মোট ছ’টি পার্কিং জোন তৈরি করা হবে। এছাড়াও মেলাপ্রাঙ্গণে যাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট রুট স্থির করা হয়েছে।
Advertisement
বিষ্ণুপুর থানার আইসি অতনু সাঁতরা বলেন, রবীন্দ্র স্ট্যাচু মোড়ের দিকে থেকে আসা দু’চাকা ও ছোট গাড়ি এক্সচেঞ্জ মোড় হয়ে মেলামেশা সঙ্ঘের মাঠে পার্ক করা যাবে। ওই মাঠের গাড়ি চার্চ মোড়, হাজরাপাড়া হয়ে বাইরে যেতে পারবে। কেবলমাত্র দু’চাকার যান গোশালার মাঠ ও বিবেকানন্দ স্কুলের মাঠে রাখতে পারা যাবে। পোড়ামাটির হাট প্রাঙ্গণের পার্কিং জোনে সমস্ত ধরনের গাড়ি রাখা যাবে। জয়পুরের দিক থেকে আসা দর্শনার্থীরা রাহা গ্যারেজ ও পাথর দরজার কাছের মাঠে চারচাকার গাড়ি রাখতে পারবেন। তবে দু’চাকার যান আরও একটু এগিয়ে নিয়ে এসে গুমগড়ের কাছে মাঠে রাখতে পারা যাবে।
আগামী ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২৯ডিসেম্বর পর্যন্ত বিষ্ণুপুর হাইস্কুল ও কেজি কলেজের তিনটি মাঠে ৩৭তম বিষ্ণুপুর মেলা অনুষ্ঠিত হবে। বিষ্ণুপুর শহরের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ। তাই মেলাপ্রাঙ্গণে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনওরকম যানজট যাতে না হয়, সেই জন্য মেলাপ্রাঙ্গণ থেকে কিছুটা দূরত্বে ৬টি পার্কিং জোন তৈরি করা হবে। এছাড়াও মেলা প্রাঙ্গণে যাতাযাতের প্রধান রাস্তা কলেজ রোডে নো পার্কিং জোন করা হবে। মেলার দিনগুলিতে দুপুর ২টো থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।
আগামী ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২৯ডিসেম্বর পর্যন্ত বিষ্ণুপুর হাইস্কুল ও কেজি কলেজের তিনটি মাঠে ৩৭তম বিষ্ণুপুর মেলা অনুষ্ঠিত হবে। বিষ্ণুপুর শহরের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ। তাই মেলাপ্রাঙ্গণে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনওরকম যানজট যাতে না হয়, সেই জন্য মেলাপ্রাঙ্গণ থেকে কিছুটা দূরত্বে ৬টি পার্কিং জোন তৈরি করা হবে। এছাড়াও মেলা প্রাঙ্গণে যাতাযাতের প্রধান রাস্তা কলেজ রোডে নো পার্কিং জোন করা হবে। মেলার দিনগুলিতে দুপুর ২টো থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।



