সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালু হলে রাজ্য সরকারের কোনও আপত্তি নেই। বর্ষবরণের রাতে রাজ্য সরকারের নো অবজেকশনের চিঠি প্রকাশ্যে আসে। ওই চিঠিতে স্কুল শিক্ষা বিভাগের প্রস্তাবে রাজ্য সরকারের ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। তাই বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা চালু কেবল সময়ের অপেক্ষা। আর নতুন বছরের প্রথম দিনে এমন খবরে শহরে খুশির হাওয়া বইছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই তা চালু করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ তোড়জোড় শুরু করেছে।
Advertisement
বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ বলেন, বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালুর জন্য শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে বিশেষ তদ্বির করা হয়েছিল। রাজ্য সরকার তাতে সাড়া দিয়েছে। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে বিষ্ণুপুর শহর ও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দাদের অনেকেই তাঁদের ছেলেমেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশোনা করাতে চান। কিন্তু, শহরে কয়েকটি বেসরকারি স্কুল থাকলেও সরকারিভাবে সেই সুযোগ নেই। খরচের কারণে অভিভাবকদের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না। এবার তা পূরণ হবে। বিনামূল্যে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশুনা করাতে পারবেন। বিদ্যালয় পরিচালন কমিটির সভাপতি দেবব্রত ঘোষ বলেন, বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালু করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই পড়ুয়া ভর্তি করা হবে। ইংরেজি মাধ্যমে ছাত্র এবং ছাত্রী উভয়েই যাতে ভর্তি হতে পারে, সেব্যাপারে দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বিষ্ণুপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জীবনানন্দ মুখোপাধ্যায় বলেন, বিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে আপাতত দশম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দিয়ে ক্লাস করানো হবে। পরবর্তীকালে ওই বিভাগের জন্য শিক্ষক চাওয়া হবে।
১৮৭৯ সালে স্থাপিত হয় বিষ্ণুপুর হাইস্কুল। শহরের অন্যতম জনপ্রিয় ওই সরকারি স্কুলে বর্তমানে বাংলা মাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিকস্তর পর্যন্ত কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্যিক বিভাগে পড়াশোনা হয়। মাধ্যমিকস্তর পর্যন্ত কেবল ছাত্রদের পড়ানো হলেও উচ্চমাধ্যমিকস্তরে ছাত্র ও ছাত্রী উভয়েই পড়াশোনা করে। বিষ্ণুপুর শহর ছাড়াও আশেপাশের গ্রামের ছেলেমেয়েরাও ওই স্কুলে পড়তে আসে। পরবর্তীকালে শহরে বেশকিছু ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল গড়ে ওঠে। কিন্তু, খরচের কারণে ইচ্ছা থাকলেও অনেক অভিভাবক সেখানে ভর্তি করতে পারেন না। তাই বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালুর দাবি ওঠে। তা বিবেচনা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ একবছর আগে শিক্ষাদপ্তরে আবেদন জানায়। বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ এব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে একাধিকবার তদ্বির করেন। তারপর সরকারি দপ্তরে একাধিক চিঠি চালাচালির পর বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালুর বিষয়ে মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিবকে নো অবজেকশনের চিঠি পাঠান। সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই বিষ্ণুপুরে খুশির হাওয়া বইছে।
বিষ্ণুপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জীবনানন্দ মুখোপাধ্যায় বলেন, বিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে আপাতত দশম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দিয়ে ক্লাস করানো হবে। পরবর্তীকালে ওই বিভাগের জন্য শিক্ষক চাওয়া হবে।
১৮৭৯ সালে স্থাপিত হয় বিষ্ণুপুর হাইস্কুল। শহরের অন্যতম জনপ্রিয় ওই সরকারি স্কুলে বর্তমানে বাংলা মাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিকস্তর পর্যন্ত কলা, বিজ্ঞান ও বাণিজ্যিক বিভাগে পড়াশোনা হয়। মাধ্যমিকস্তর পর্যন্ত কেবল ছাত্রদের পড়ানো হলেও উচ্চমাধ্যমিকস্তরে ছাত্র ও ছাত্রী উভয়েই পড়াশোনা করে। বিষ্ণুপুর শহর ছাড়াও আশেপাশের গ্রামের ছেলেমেয়েরাও ওই স্কুলে পড়তে আসে। পরবর্তীকালে শহরে বেশকিছু ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল গড়ে ওঠে। কিন্তু, খরচের কারণে ইচ্ছা থাকলেও অনেক অভিভাবক সেখানে ভর্তি করতে পারেন না। তাই বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালুর দাবি ওঠে। তা বিবেচনা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ একবছর আগে শিক্ষাদপ্তরে আবেদন জানায়। বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ এব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে একাধিকবার তদ্বির করেন। তারপর সরকারি দপ্তরে একাধিক চিঠি চালাচালির পর বিষ্ণুপুর হাইস্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালুর বিষয়ে মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিবকে নো অবজেকশনের চিঠি পাঠান। সেই চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই বিষ্ণুপুরে খুশির হাওয়া বইছে।



