সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: পুজো মিটতেই বিষ্ণুপুর সহ বাঁকুড়া জেলাজুড়ে পূর্তদপ্তরের অধীনে উন্নয়নমূলক কাজ খতিয়ে দেখতে আসেন দপ্তরের সচিব অন্তরা আচার্য। শুক্রবার তিনি বিষ্ণুপুরে দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে বৈঠক করেন। সেখানে প্রতিটি কাজের অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ নেন। সেই সঙ্গে রাস্তা সহ নতুন প্রকল্পের ব্যাপারেও কথা বলেন।
Advertisement
সচিব বলেন, বাঁকুড়া সহ জঙ্গল মহলের জেলাগুলিতে আমাদের দপ্তরের তরফে বহু উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। তাতে কোনওরকম যাতে ঢিলেমি না হয়, তা দেখতেই জেলা সফরে বেরিয়েছি। দু’-একটি জায়গায় সমস্যা থাকলেও বাদ বাকি সব কিছুই ঠিকঠাক চলছে।
সচিব এদিন সকালে খাতড়া মহকুমা এলাকায় বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে দেখতে যান। বিকেলে বিষ্ণুপুরে বাইপাস এলাকায় পূর্তদপ্তরের বাংলোয় বৈঠকে বসেন। সেখানে বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ ছাড়াও দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত ছিলেন। বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রকাশঘাটে দ্বারকেশ্বর নদের উপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এছাড়াও বিষ্ণুপুর শহরে শ্রী রামকৃষ্ণদেবের পদধূলি পড়া মোক্তার বারের সংস্কারের প্রস্তাব দেন। সচিব নিজে উৎসাহী হয়ে তা দেখতে আসেন। সংস্কারের প্রয়োজনে কলকাতা থেকে বিশেষ টিম পাঠানোর আশ্বাস দেন।
মহকুমা শাসক বলেন, প্রকাশঘাটে দ্বারকেশ্বর নদে সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। ইতিমধ্যে তার প্রস্তাব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এদিন ম্যাডামকে তা দেখার জন্য বিশেষভাবে বলা হয়েছে। এছাড়াও কোনও একসময় একটি মামলার সাক্ষী হিসেবে শ্রী রামকৃষ্ণ বিষ্ণুপুরের মোক্তার বারে এসেছিলেন। এরকম একটি হেরিটেজ বিল্ডিং জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়েছিল। সেটির ছাদের অংশ মেরামতি করা হয়েছে। তার পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য বলা হয়েছে।
সচিব এদিন সকালে খাতড়া মহকুমা এলাকায় বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে দেখতে যান। বিকেলে বিষ্ণুপুরে বাইপাস এলাকায় পূর্তদপ্তরের বাংলোয় বৈঠকে বসেন। সেখানে বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ ছাড়াও দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা উপস্থিত ছিলেন। বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রকাশঘাটে দ্বারকেশ্বর নদের উপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এছাড়াও বিষ্ণুপুর শহরে শ্রী রামকৃষ্ণদেবের পদধূলি পড়া মোক্তার বারের সংস্কারের প্রস্তাব দেন। সচিব নিজে উৎসাহী হয়ে তা দেখতে আসেন। সংস্কারের প্রয়োজনে কলকাতা থেকে বিশেষ টিম পাঠানোর আশ্বাস দেন।
মহকুমা শাসক বলেন, প্রকাশঘাটে দ্বারকেশ্বর নদে সেতুর দাবি দীর্ঘদিনের। ইতিমধ্যে তার প্রস্তাব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। এদিন ম্যাডামকে তা দেখার জন্য বিশেষভাবে বলা হয়েছে। এছাড়াও কোনও একসময় একটি মামলার সাক্ষী হিসেবে শ্রী রামকৃষ্ণ বিষ্ণুপুরের মোক্তার বারে এসেছিলেন। এরকম একটি হেরিটেজ বিল্ডিং জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়েছিল। সেটির ছাদের অংশ মেরামতি করা হয়েছে। তার পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের জন্য বলা হয়েছে।



