সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: স্কুল থেকে ফেরার সময় একাদশ শ্রেণির তিন ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে চার যুবককে আটক করে উত্তম মধ্যম দিলেন বাসিন্দারা। বিষ্ণুপুরের বাঁকাদহ এলাকার ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনায় পুলিস অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও অপর একজন পলাতক। ধৃতদের নাম লেলা মাণ্ডি, বৈদ্যনাথ মাণ্ডি ও বাপন মাণ্ডি। তাদের বাড়ি বাঁকাদহ গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, বুধবার বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ধৃতদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজ চলছে।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার স্কুলের পর প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস সেরে সন্ধ্যায় একাদশ শ্রেণির তিন ছাত্রী বাড়ি ফিরছিল। অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রায়ই স্থানীয় একটি মদের দোকান থেকে বেরিয়ে তাদের পিছু নিত এবং উত্ত্যক্ত করত। ওইদিন সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় তারা মদ্যপ অবস্থায় তাদের পিছু নেয়। একটি খালের কাছে নির্জন জায়গায় তাদের পথ আটকে শ্লীলতাহানি করে। চিৎকার করায় স্থানীয় গ্রামবাসীরা দৌড়ে এসে অভিযুক্তদের আটক করে উত্তম মধ্যম দেয়। ইতিমধ্যে খবর পেয়ে ছাত্রীদের বাড়ির লোকজন চলে আসেন।
পুলিসকেও খবর দেওয়া হয়। কিন্তু, পুলিস আসার আগে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন গ্রামবাসীদের হাত ছাড়িয়ে মাঠের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। একজনকে পুলিস বাঁকাদহ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস রাতেই অভিযুক্তদের গ্রামে হানা দেয়। দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পুলিসি হানার খবর পেয়ে অপর একজন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। বুধবার তিনজনকে আদালতে তোলা হয়।
পুলিসকেও খবর দেওয়া হয়। কিন্তু, পুলিস আসার আগে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন গ্রামবাসীদের হাত ছাড়িয়ে মাঠের দিকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। একজনকে পুলিস বাঁকাদহ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস রাতেই অভিযুক্তদের গ্রামে হানা দেয়। দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে পুলিসি হানার খবর পেয়ে অপর একজন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। বুধবার তিনজনকে আদালতে তোলা হয়।



