সংবাদদাতা বিষ্ণুপুর: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষ্ণুপুর শহরের কলেজ রোডে একটি রেস্টুরেন্টের ভিতরে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃত ব্যবসায়ীর নাম শ্যামাপদ চট্টোপাধ্যায়(৫২)। তাঁর বাড়ি শহরের তিন নম্বর ওয়ার্ডের তিলবাড়ি এলাকায়। এদিন সন্ধ্যায় দোকানের একজন কর্মচারী অফিস ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান। খবর চাউর হতেই প্রচুর লোকজন জমায়েত হয়। খবর পেয়ে পুলিস গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পুলিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে শ্যামাপদবাবু আত্মহত্যা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যবসায়ীর বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ে রয়েছে। দুই ছেলেমেয়ে বাইরে পড়াশোনা করে। এই ঘটনায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ির লোকজন হতবাক হয়ে গিয়েছেন। তাঁরা কেউ কথা বলতে চাননি।
Advertisement
শ্যামাপদবাবুর দোকানের এক কর্মচারী বিভাস রায় বলেন, আমি দুপুরে হোটেলে ভাত খেতে গিয়েছিলাম। ওই সময় শ্যামাপদবাবু দোকানে আসেন। তিনি রোজ দুপুরে দোকানে এসে অফিস ঘরে ঘুমান। এদিনও এসেছিলেন। ভাত খেয়ে ফিরে এসে আমি দোকানে কাজ করছিলাম। বিকাল ৫টার আগেই শ্যামাপদবাবু ঘুম থেকে উঠে যান। এদিন না ওঠায় আমি ডাকাডাকি করি। সাড়া না পেয়ে অফিসের ভেতরে গিয়ে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাই। তারপর সামনের দোকানদারদের ডাকি। খবর পেয়ে পুলিস আসে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুরে শ্যামাপদবাবুর গেঞ্জি ছাপার একাধিক কারখানা রয়েছে। শহরের কলেজ রোডে একটি রেস্টুরেন্টও আছে। কারখানা ও রেস্টুরেন্ট মিলিয়ে শতাধিক কর্মচারী কাজ করে। সম্প্রতি তিনি একটি বাংলা সিনেমায় প্রচুর টাকা লগ্নি করেছিলেন। সিনেমাটি রাজ্যের বিভিন্ন হলে চলছিল। বিষ্ণুপুরে সিনেমা হল বন্ধ থাকায় মিউজিক কলেজের হল ভাড়া করে সিনেমা দেখানো হয়। সব মিলিয়ে তিনি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন বলে অনেকে মনে করছেন। তবে আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন কেউ ভাবতে পারেনি।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুরে শ্যামাপদবাবুর গেঞ্জি ছাপার একাধিক কারখানা রয়েছে। শহরের কলেজ রোডে একটি রেস্টুরেন্টও আছে। কারখানা ও রেস্টুরেন্ট মিলিয়ে শতাধিক কর্মচারী কাজ করে। সম্প্রতি তিনি একটি বাংলা সিনেমায় প্রচুর টাকা লগ্নি করেছিলেন। সিনেমাটি রাজ্যের বিভিন্ন হলে চলছিল। বিষ্ণুপুরে সিনেমা হল বন্ধ থাকায় মিউজিক কলেজের হল ভাড়া করে সিনেমা দেখানো হয়। সব মিলিয়ে তিনি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন বলে অনেকে মনে করছেন। তবে আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন কেউ ভাবতে পারেনি।



