সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: খড়্গপুর আইআইটির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে বিষ্ণুপুরে ৪০বছরের পুরনো দু’টি রিজার্ভার ভাঙার কাজ শুরু হল। শুক্রবার থেকে কুমারী টকি সিনেমাতলার কাছে অবস্থিত পুরনো রিজার্ভার ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরসভার সামনে থাকা অপর একটি রিজার্ভার কিছুদিন পরেই ভাঙার কাজ হবে। পুরনো রিজার্ভার ভাঙার ফলে শহরে রাস্তার ধারে থাকা সমস্ত ট্যাপকলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তাতে আর জল পড়বে না। এনিয়ে অনেকেই চিন্তায় পড়েছেন। তাঁরা ওই ট্যাপকলগুলি চালু রাখার আর্জি জানিয়েছেন।
Advertisement
বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, খড়্গপুর আইআইটির বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ মেনে এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের নির্দেশে শহরের দু’টি পানীয় জলের রিজার্ভার ভেঙে ফেলা হবে। তার মধ্যে একটি ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। দ্বিতীয়টিও কিছুদিনের মধ্যেই ভাঙা হবে। পুরনো রিজার্ভারের পাশেই নতুন দু’টি রিজার্ভার তৈরি করা হয়েছে। এবার সেখান থেকে শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। রাস্তার ধারে থাকা ট্যাপকলগুলি পুরনো রিজার্ভারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ওই ট্যাপকলগুলিতে আর জল পড়বে না। এনিয়ে শহরে মাইকিংও করা হয়েছে।
পুরসভা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৮৪ সালে বিষ্ণুপুর শহরে পানীয় জল সরবরাহের জন্য পুরসভা সংলগ্ন এবং কুমারী টকির সামনে দু’টি রিজার্ভার তৈরি করা হয়। কয়েকবছর আগে সারেঙ্গায় রিজার্ভার হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ার ঘটনার সময়েই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যজুড়ে সমস্ত রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দেন। সেই মতো বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বিষ্ণুপুরের দু’টি রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। তাতে পরীক্ষকরা দু’টি রিজার্ভার বিপজ্জনক বলে জানান। তারপরেই তা ভাঙার সিদ্ধান্ত হয়। শুক্রবার থেকে ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বেহাল রিজার্ভার ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এটা খুবই ভালো কথা। কিন্তু, প্রতিটি ওয়ার্ডে রাস্তার ধারে বহু ট্যাপকল রয়েছে। সেগুলি থেকে জল না পাওয়া গেলে ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়বেন।
চেয়ারম্যান বলেন, শহরে বাড়ি বাড়ি নলবাহিত জল সরবরাহ করা হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তার ধারে অনেক টিউবওয়েল রয়েছে। বিকল্প হিসেবে তাঁরা ওই টিউবওয়েল ব্যবহার করতে পারবেন।
শহরের কলেজ রোডের এক ব্যবসায়ী বলেন, এক্সচেঞ্জ মোড়ে বহু বছর ধরে একটি ট্যাপকল রয়েছে। ওই ট্যাপকল থেকে মোড়ের সমস্ত ব্যবসায়ী জল নেন। কাছাকাছি টিউবওয়েলও নেই। ওই ট্যাপে জল না পড়লে আমরা ভীষণ সমস্যায় পড়ব। তাই নতুন রিজার্ভারের সঙ্গে ওই ট্যাপকলের সংযোগ দিলে ভালো হবে।
পুরসভা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৮৪ সালে বিষ্ণুপুর শহরে পানীয় জল সরবরাহের জন্য পুরসভা সংলগ্ন এবং কুমারী টকির সামনে দু’টি রিজার্ভার তৈরি করা হয়। কয়েকবছর আগে সারেঙ্গায় রিজার্ভার হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ার ঘটনার সময়েই মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যজুড়ে সমস্ত রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দেন। সেই মতো বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বিষ্ণুপুরের দু’টি রিজার্ভারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। তাতে পরীক্ষকরা দু’টি রিজার্ভার বিপজ্জনক বলে জানান। তারপরেই তা ভাঙার সিদ্ধান্ত হয়। শুক্রবার থেকে ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বেহাল রিজার্ভার ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এটা খুবই ভালো কথা। কিন্তু, প্রতিটি ওয়ার্ডে রাস্তার ধারে বহু ট্যাপকল রয়েছে। সেগুলি থেকে জল না পাওয়া গেলে ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়বেন।
চেয়ারম্যান বলেন, শহরে বাড়ি বাড়ি নলবাহিত জল সরবরাহ করা হচ্ছে। তাছাড়া রাস্তার ধারে অনেক টিউবওয়েল রয়েছে। বিকল্প হিসেবে তাঁরা ওই টিউবওয়েল ব্যবহার করতে পারবেন।
শহরের কলেজ রোডের এক ব্যবসায়ী বলেন, এক্সচেঞ্জ মোড়ে বহু বছর ধরে একটি ট্যাপকল রয়েছে। ওই ট্যাপকল থেকে মোড়ের সমস্ত ব্যবসায়ী জল নেন। কাছাকাছি টিউবওয়েলও নেই। ওই ট্যাপে জল না পড়লে আমরা ভীষণ সমস্যায় পড়ব। তাই নতুন রিজার্ভারের সঙ্গে ওই ট্যাপকলের সংযোগ দিলে ভালো হবে।



