নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: ফের শিরোনামে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বৈষ্ণবনগর। এবার ‘গিফট’ এর দোকানের আড়ালে মিলল জাল আধার তৈরি চক্রের হদিশ। রবিবার রাতে সেখানে হানা দিয়ে পুলিস ৭০টি জাল আধার কার্ড উদ্ধার করেছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দোকানের মালিক উৎপল মণ্ডল (২৩) ও কর্মচারী সুদীপ্ত মণ্ডলকে (২০)। তারা বৈষ্ণবনগর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিস সূত্রে খবর।
Advertisement
প্রাথমিক তদন্ত করে পুলিস জানিয়েছে,অসমের এক আধার সেবা কেন্দ্রের লগ ইন ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে এই চক্রটি কাজ করত। এর সঙ্গে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন এবং লোক পারাপারের এজেন্টদের যোগ রয়েছে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের। মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, দু’জনকে গ্রেপ্তার করে সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মালদহের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির মধ্যে বৈষ্ণবনগর অন্যতম। জেলায় যে ১৫৮.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ সীমান্ত আছে, তার মধ্যে বৈষ্ণবনগরে মাত্র ২.২৫ কিলোমিটার। এর পুরোটাই উন্মুক্ত। আর এখান দিয়েই জালনোট, মাদক, গরু পাচার করছে দুষ্কৃতীরা।
বৈষ্ণবনগরে কিছুদিন ধরে জাল আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ আসছিল পুলিসের কাছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পান তদন্তকারীরা। তাঁরা পরিকল্পনা করে রবিবার রাতে ওই গিফটের দোকানে হানা দেন। তল্লাশি চালিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিসের। একে একে উদ্ধার হয় ৭০টি জাল আধার কার্ড।
ধৃতদের সোমবার মালদহ জেলা আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিস ধৃতদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করলে বিচারক মঞ্জুর করেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, এই কেন্দ্রে কয়েক বছর জাল আধার কার্ড তৈরি করা হচ্ছিল। অনেক বাংলাদেশিকে জাল আধার কার্ড সহ ভুয়ো নথি দিয়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে সাহায্য করা হয়েছে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের।
বৈষ্ণবনগরের এই জাল আধার তৈরি কেন্দ্র থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই শুকদেবপুর সীমান্ত। যেখানে গত এক সপ্তাহ ধরে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে অশান্তি চলছে। এখনও সেই সমস্যার সমাধান হয়নি। বরং প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা বিজিবি’র মদতে রাতের অন্ধকারে ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ছে। ভারতের গ্রাম থেকে যথেচ্ছ ফসল, গরু, হাঁস, মুরগি লুট করার পাশাপাশি আমবাগান ধ্বংস করছে তারা। এই আবহের মধ্যে জাল আধার তৈরির চক্রের হদিশ মেলায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মালদহের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলির মধ্যে বৈষ্ণবনগর অন্যতম। জেলায় যে ১৫৮.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ সীমান্ত আছে, তার মধ্যে বৈষ্ণবনগরে মাত্র ২.২৫ কিলোমিটার। এর পুরোটাই উন্মুক্ত। আর এখান দিয়েই জালনোট, মাদক, গরু পাচার করছে দুষ্কৃতীরা।
বৈষ্ণবনগরে কিছুদিন ধরে জাল আধার কার্ড তৈরির অভিযোগ আসছিল পুলিসের কাছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পান তদন্তকারীরা। তাঁরা পরিকল্পনা করে রবিবার রাতে ওই গিফটের দোকানে হানা দেন। তল্লাশি চালিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিসের। একে একে উদ্ধার হয় ৭০টি জাল আধার কার্ড।
ধৃতদের সোমবার মালদহ জেলা আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিস ধৃতদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করলে বিচারক মঞ্জুর করেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, এই কেন্দ্রে কয়েক বছর জাল আধার কার্ড তৈরি করা হচ্ছিল। অনেক বাংলাদেশিকে জাল আধার কার্ড সহ ভুয়ো নথি দিয়ে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে সাহায্য করা হয়েছে বলে অনুমান গোয়েন্দাদের।
বৈষ্ণবনগরের এই জাল আধার তৈরি কেন্দ্র থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরেই শুকদেবপুর সীমান্ত। যেখানে গত এক সপ্তাহ ধরে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে অশান্তি চলছে। এখনও সেই সমস্যার সমাধান হয়নি। বরং প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা বিজিবি’র মদতে রাতের অন্ধকারে ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ছে। ভারতের গ্রাম থেকে যথেচ্ছ ফসল, গরু, হাঁস, মুরগি লুট করার পাশাপাশি আমবাগান ধ্বংস করছে তারা। এই আবহের মধ্যে জাল আধার তৈরির চক্রের হদিশ মেলায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।



