Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেসরকারি স্কুলের দিকে ঝুঁকছেন অভিভাবকরা, পড়ুয়া কমছে সরকারি বিদ্যালয়ে

বেসরকারি স্কুলের দিকে ঝুঁকছেন অভিভাবকরা, পড়ুয়া কমছে সরকারি বিদ্যালয়ে
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, করিমপুর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তুলনায় বেসরকারি স্কুলে বাড়ছে পড়ুয়ার সংখ্যা। শহরের পাশাপাশি গ্রামেও বেড়ে চলেছে বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা। করিমপুরের বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ার সংখ্যা আগের তুলনায় কমে গিয়েছে। যেমন করিমপুর জিএসএফ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বছর প্রাক প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র সংখ্যা ছিল ৪৬১। এবছর সদ্য চালু হওয়া পঞ্চম শ্রেণিতে ৫৪ জন ভর্তি হওয়ার পরও মোট ছাত্র সংখ্যা ৪৩৩ জন। ওই স্কুলের এক শিক্ষক বলেন, শিক্ষাদপ্তরের নির্দেশে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে স্থানীয় স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে। তবে বেসরকারি স্কুলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কিছু সরকারি স্কুলে ছাত্র কমছে। অভিভাবকরা অনেকেই বেসরকারি স্কুলের দিকে ঝুঁকছেন। স্থানীয় কিছু অভিভাবক জানান, সরকারি স্কুলে শিক্ষক শিক্ষিকার সংখ্যা কম। অনেক স্কুলে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি অবধি ক্লাস রয়েছে অথচ শিক্ষক মাত্র দু’-তিনজন। ফলে স্কুলে পড়াশোনা ঠিকঠাক হয় না। বেসরকারি স্কুলে এইসব সমস্যা নেই। যদিও সরকারি স্কুলের অনেক শিক্ষক বলেন, সরকারি স্কুলে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে, এমন কথা সম্পূর্ণ ঠিক নয়। নতুন সিলেবাস চালুর পর থেকে কিছু কিছু সরকারি স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা বেড়েছে। কয়েকজন অভিভাবক নিজের সন্তানকে ভালো শিক্ষা বা ইংরেজি শেখানোর তাগিদে বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করছেন। করিমপুরের এক অভিভাবক অমিত মণ্ডল বলেন, ছেলেমেয়ের বয়স ছ’ বছর না হলে সরকারি বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা যায় না। কিন্তু বেসরকারি স্কুলে তিন বছর হলেই ভর্তি করা যাচ্ছে। ওই বয়স থেকে পড়াশোনার পাশাপাশি স্কুলে যাওয়ার অভ্যাসও তৈরি হচ্ছে। প্রতিযোগিতার যুগে সবাই নিজের সন্তানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। তাই অনেকেই নিজের ছেলেমেয়েকে বেসরকারি স্কুলে পাঠাচ্ছেন। করিমপুর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) সোমদেব মজুমদার জানান, সরকারি স্কুলগুলোতে বর্তমান সরকার পরিকাঠামোর কোনও ঘাটতি রাখছে না। সিলেবাস থেকে শুরু করে স্কুলের যাবতীয় বিষয়ে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের উন্নত শিক্ষা দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কোনও কোনও স্কুলে শিক্ষক সংখ্যা কম থাকলেও পড়াশোনায় নজর দেওয়া হয়।  
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ