Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেসরকারি ব্যাঙ্কের ৬ জন কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

বেসরকারি ব্যাঙ্কের ৬ জন কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বেসরকারি ব্যাঙ্কের ছয় কর্মীর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ দায়ের হল বেলডাঙা থানায়। প্রায় ২২ লক্ষ টাকার আর্থিক তছরুপের অভিযোগ করা হয়েছে। ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কের ইউনিট ম্যানেজার বেলডাঙার দু’টি ব্রাঞ্চের ছয় কর্মীর নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত ছ’জনের মধ্যে একজনের বাড়ি নদীয়ার চাকদহ থানা এলাকায়। দু’জনের বাড়ি রানিনগর থানা এলাকায়। বাকিদের বাড়ি নবগ্রাম, দৌলতাবাদ ও সাগরপাড়া থানা এলাকায়। পুলিস মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 
Advertisement
ব্যাঙ্কের কর্মী হয়ে কীভাবে সেই টাকা আত্মসাৎ করল তারা? পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক বেশকিছু ব্যক্তিকে নিয়মিত লোন দেয়। উপভোক্তারা লোন পরিশোধের জন্য সুদসহ কিস্তির টাকা কর্মীদের দিয়েছিল। সেই টাকা গ্রাহকদের লোন অ্যাকাউন্টে জমা করেনি ওই ছয় কর্মী। তা নিজেরা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ। ছয় কর্মী পৃথক পৃথকভাবে এই কাজ করেছে। যার ফলে মোট ২১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা প্রতারণা হয়েছে বলেই জানিয়েছেন ব্যাঙ্কের ইউনিট ম্যানেজার। ওই ছয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যাঙ্কের তরফে অভিযোগে জানানো হয়েছে। 
বেলডাঙা থানার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কের আধিকারিকের তরফে সোমবার রাতে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কীভাবে তারা টাকা হাতিয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা হবে। 
ওই বেসরকারি ব্যাঙ্কের ইউনিট ম্যানেজার অভিযোগ করে জানিয়েছেন, গ্রামের যে সমস্ত ব্যক্তিদের কাছ লোন রি-পেমেন্টের টাকা নেওয়া হয়েছিল, সেই টাকা ব্রাঞ্চে জমা পড়েনি। যার ফলে বিপুল অঙ্কের টাকা নিজেরাই আত্মসাৎ করেছে বলেই আমাদের সন্দেহ। তাই লিখিতভাবে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিস তদন্ত করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া যাবে। ওই বেসরকারি ব্যাঙ্ক সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই ছয় কর্মী উপভোক্তাদের পাসবই নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যাতে তাদের আর্থিক কারচুপি ধরা না পড়ে। কারণ, ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চে টাকা জমা করলেই তা পাসবইতে তুলতে হয়। তাই উপভোক্তাদের কাছ থেকে নানান অজুহাতে পাসবই সংগ্রহ করেছিল ওই ছয় কর্মী। সেগুলি নষ্ট করা হয়েছে বলেই অভিযোগ। পুলিস এই অভিযোগও খতিয়ে দেখছে। 
জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, আর্থিক তছরুপের মামলার রুজু হয়েছে। বেসরকারি ব্যাঙ্কের তরফে ওই অভিযোগে বলা হয়েছে, বেশকিছু পাসবই নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পাসবইয়ের তথ্য না পেলে, ঠিক কত টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে তা বুঝতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে উপভোক্তাদের ডেকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ