সংবাদদাতা, বেলদা: মনের মিল হলে আর কী লাগে! প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয়। তারপর থেকে শুধুমাত্র হাত ও মুখের ইশারায় পরস্পরের সঙ্গে কথাবার্তা। তাতেই আদানপ্রদান হয়ে যায় দু’জনের মনে জমে থাকা সুখ, দুঃখের কথা, ছেলেবেলার স্মৃতি। মনের মিল হয় তখনই। তারপরও হৃদয়ের মিল ঘটাতে একদিন বাড়ি থেকে পালায় মূক ও বধির নাবালিকা। অভিযোগ দায়ের হয় থানায়। পুলিস যখন নাবালিকা প্রেমিকাআর তার প্রেমিককে উদ্ধার করে, দেখা যায় ওই যুবকও মূক ও বধির। নাবালিকার ইচ্ছা পরিবারের লোক মেনে নিতে চাইলেও আইনি জটিলতায় পণ্ড হয় সবকিছুই। বাল্য বিবাহ যে নিষিদ্ধ।
Advertisement
সোমবার কেশিয়াড়ি থানায়অভিযোগ দায়ের হয়, এক ১৫ বছরের মূক ও বধির নাবালিকা নিখোঁজ বলে।তার পরিবার পুলিসকে জানায়, সোমবার দুপুরের পর থেকে ওই নাবালিকাকে আর দেখতে পাওয়া যায়নি। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নামে পুলিস। তদন্তে পুলিস জানতে পারে মূক ও বধির ওই নাবালিকা বাড়িতে থাকা একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ফেসবুক ঘাঁটাঘাটি করত। ওই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ট্র্যাক করে জানা যায়, নদীয়ার কৃষ্ণনগর এলাকার ২৫ বছরের এক যুবকের সঙ্গে ওই নাবালিকার যোগাযোগ রয়েছে। এরপর কৃষ্ণনগর থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে মোবাইলের আইপি অ্যাড্রেস ট্র্যাক করে ওই ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। খুঁজে পাওয়া যায় নাবালিকাকে। আর তখনই জানতে পারে পুলিস ওই যুবকও একই রকম মূক ও বধির।
ওই যুবক জানায়, রবিবার কেশিয়াড়ি এলাকায় এসেছিল সে। সোমবার সময় বুঝে বাসায় করে ওই নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে খড়গপুর আসে। পরে ট্রেনে করে হাওড়া। সেখান থেকে শিয়ালদহ স্টেশন পৌঁছে ট্রেনে চেপে কৃষ্ণনগর। কেশিয়াড়ি থানার পুলিস সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে বুধবার খড়গপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে। এদিকে নাবালিকার পরিবার সবকিছু জানার পর বিষয়টি মেনে নিলেও বাধা হয়ে দাঁড়ায় আইন। কেননা এখনও ১৮ বছর হতে দেরি রয়েছে ওই নাবালিকার। ফলে ওই যুবককে ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দিয়েছে আদালত। নাবালিকাকে তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের হাতে।
ওই যুবক জানায়, রবিবার কেশিয়াড়ি এলাকায় এসেছিল সে। সোমবার সময় বুঝে বাসায় করে ওই নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে খড়গপুর আসে। পরে ট্রেনে করে হাওড়া। সেখান থেকে শিয়ালদহ স্টেশন পৌঁছে ট্রেনে চেপে কৃষ্ণনগর। কেশিয়াড়ি থানার পুলিস সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে বুধবার খড়গপুর মহকুমা আদালতে পেশ করে। এদিকে নাবালিকার পরিবার সবকিছু জানার পর বিষয়টি মেনে নিলেও বাধা হয়ে দাঁড়ায় আইন। কেননা এখনও ১৮ বছর হতে দেরি রয়েছে ওই নাবালিকার। ফলে ওই যুবককে ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দিয়েছে আদালত। নাবালিকাকে তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের হাতে।



