সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুরে ভাগীরথীর ব্রিজে ওঠানামার জন্য ব্যবহৃত সিঁড়ি ঘিরে বন্ধ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাল এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় রঘুনাথগঞ্জে চাঞ্চল্য ছড়ায়। গভীর রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিস। তারা বিক্ষোভকারীদের বোঝাতে ব্যর্থ হয়। এলাকাবাসীর চাপের কাছে শেষ পর্যন্ত পিছু হটতে বাধ্য হয় পুলিস। সিঁড়ি ঘেরার কাজ বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকালে ফের একবার ঘটনাস্থলে যায় পুলিস। তারা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা বন্ধ করা যাবে না বলে দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।
Advertisement
এপ্রসঙ্গে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিস জানিয়েছে, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানাম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। সিঁড়ি থাকার ফলে যাত্রী ধরতে ব্রিজের মুখেই টোটো ও অটো স্ট্যান্ডে পরিণত হয়েছে। তাতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। সিঁড়ি বন্ধ না করলে এলাকাবাসীই সমস্যায় পড়বেন। আমরা এলাকাবাসীকে বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য বলেছি।
জানা গিয়েছে, ভাগীরথী নদীর উপর এই ব্রিজটি জঙ্গিপুর ও রঘুনাথগঞ্জ শহরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। ব্রিজের দু’দিকেই ওঠানামার জন্য সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে একাধিক সিঁড়ি রয়েছে। তারমধ্যে জঙ্গিপুর প্রান্তে ক্ষুদিরাম মোড়ে একটি ও কিছুটা দূরে বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া আরও একটি সিঁড়ি রয়েছে। অপরদিকে রঘুনাথগঞ্জে গাড়িঘাট মোড়ে একটি সিঁড়ি রয়েছে। প্রতিদিন বহু মানুষ এই সিঁড়ি ব্যবহার করেন। সময় বাঁচাতে ও যানজট এড়াতে পথচারীরা ওই সিঁড়ি দিয়ে ব্রিজে ওঠানামা করেন। আর ওই যাত্রীদের পেতেই সিঁড়ি সংলগ্ন ব্রিজের উপর একাধিক টোটো, অটো ও ট্রেকার দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে যানজট ও ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে বৃহস্পতিবার রাতে সিঁড়ি ইট দিয়ে ঘিরে বন্ধ করে দেওয়ার কাজ শুরু করে প্রশাসন। বিষয়টি জানতে পেরে সরব হন এলাকাবাসী। পুলিস গিয়ে তাঁদের বোঝাতে ব্যর্থ হয়। শুক্রবার সকালে আবার ঘটনাস্থলে যান রঘুনাথগঞ্জ থানার আইসি ও সদর ট্রাফিক ওসি। তাঁরা এলাকাবাসীকে বলেন জেলাশাসকের নির্দেশেই ব্রিজে ওঠানামার সিঁড়ি বন্ধ করা হচ্ছে। এদিনও বহু মানুষ বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় বাসিন্দা সাহেব খান বলেন, কিছু না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে সিঁড়ি বন্ধ করার চেষ্টা চলছিল। এই সিঁড়ি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ ওঠানামা করেন।
জানা গিয়েছে, ভাগীরথী নদীর উপর এই ব্রিজটি জঙ্গিপুর ও রঘুনাথগঞ্জ শহরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। ব্রিজের দু’দিকেই ওঠানামার জন্য সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে একাধিক সিঁড়ি রয়েছে। তারমধ্যে জঙ্গিপুর প্রান্তে ক্ষুদিরাম মোড়ে একটি ও কিছুটা দূরে বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া আরও একটি সিঁড়ি রয়েছে। অপরদিকে রঘুনাথগঞ্জে গাড়িঘাট মোড়ে একটি সিঁড়ি রয়েছে। প্রতিদিন বহু মানুষ এই সিঁড়ি ব্যবহার করেন। সময় বাঁচাতে ও যানজট এড়াতে পথচারীরা ওই সিঁড়ি দিয়ে ব্রিজে ওঠানামা করেন। আর ওই যাত্রীদের পেতেই সিঁড়ি সংলগ্ন ব্রিজের উপর একাধিক টোটো, অটো ও ট্রেকার দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে যানজট ও ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে বৃহস্পতিবার রাতে সিঁড়ি ইট দিয়ে ঘিরে বন্ধ করে দেওয়ার কাজ শুরু করে প্রশাসন। বিষয়টি জানতে পেরে সরব হন এলাকাবাসী। পুলিস গিয়ে তাঁদের বোঝাতে ব্যর্থ হয়। শুক্রবার সকালে আবার ঘটনাস্থলে যান রঘুনাথগঞ্জ থানার আইসি ও সদর ট্রাফিক ওসি। তাঁরা এলাকাবাসীকে বলেন জেলাশাসকের নির্দেশেই ব্রিজে ওঠানামার সিঁড়ি বন্ধ করা হচ্ছে। এদিনও বহু মানুষ বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় বাসিন্দা সাহেব খান বলেন, কিছু না জানিয়ে রাতের অন্ধকারে সিঁড়ি বন্ধ করার চেষ্টা চলছিল। এই সিঁড়ি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ ওঠানামা করেন।



