সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়, কোচবিহার: সরস্বতী বৈশ্য দুর্গাপুজোর আগে মারা যান। মঙ্গলা রায় লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন মারা যান। সোমবার বাড়ির আলমারি থেকে প্রথমে উদ্ধার হয় সরস্বতীর স্বামী বিজয়কুমার বৈশ্যর মৃতদেহ। এরপরেই বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার হয় মঙ্গলার ছেলে গোপাল রায়ের পচাগলা দেহ। আর এই ঘটনার পরেই বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে মৃত বিজয়বাবু ও সরস্বতীদেবীর ছেলে প্রণব। প্রণবের পিসি ছিলেন মঙ্গলা রায়।
Advertisement
বছর আঠাশের প্রণবকুমার বৈশ্য বহুদিন ধরেই বাবার উপর শারীরিক অত্যাচার চালাত বলে স্থানীয়দের দাবি। মাত্র মাস তিনেকের ব্যবধানে একটি পরিবারের চারজন সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এরমধ্যে দু’টি আবার অস্বাভাবিক মৃত্যু। এমন রোমহর্ষক ঘটনায় স্তম্ভিত কোচবিহারের ডাউয়াগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈশ্যপাড়া।
সোমবার সকালে বছর পঁয়ষট্টির বিজয়বাবুর মৃতদেহ উদ্ধার হয় আলমারি থেকে। পুলিস তদন্তে এসে আরও একটি মৃতদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে পায়। সেই দেহটি বিজয়বাবুর বোন মঙ্গলার ছেলে গোপালের (৫০)। এমন ঘটনায় এলাকায় কার্যত ভয়, আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
এদিন এলাকায় এসে দেখা গিয়েছে প্রতিবেশী মহিলাদের মুখে ভয়ের ছাপ। পুলিস তদন্তের স্বার্থে বিজয়কুমার বৈশ্যর বাড়ি সিল করে দিয়েছে। এখন বাড়িতে কয়েকটি গবাদিপশু আছে। বাড়িতে কোনও মানুষ নেই। জোড়া মৃতদেহ উদ্ধারের কথা জানাজানি হতেই দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যার পরেও বাড়ির আশপাশে প্রচুর মানুষের ভিড়। তাঁদের সকলের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। জমজমাট পাড়ার মধ্যে পরপর দু’টি মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সকলেই হতচকিত।
প্রতিবেশী ভাস্কর বৈশ্য বলেন, ওই বাড়িতে প্রণবের মা, বাবা, পিসি ও পিসতুতো দাদা থাকতেন। দুর্গাপুজোর আগে প্রণবের মা মারা যান। লক্ষ্মীপুজোর আগে প্রণবের পিসি মারা যান। এরপরেই পিসতুতো দাদা নিখোঁজ হয়ে যান। প্রণব নেশা করত। বাবাকে প্রায়ই মারধর করত। সেই কারণে ওর মা সরস্বতী বৈশ্য প্রায় বিমর্ষ থাকতেন। বিজয়বাবুর পায়ে কোনও সমস্যা হয়েছিল। তাই ওঁর পায়ের পাতা কেটে ফেলতে হয়েছিল। রবিবার রাতে ওই বাড়িতে গণ্ডগোল হচ্ছিল। আমার দাদা ঝগড়া শুনে সেখানে গেলে ওঁকেও গালিগালাজ করেছিল প্রণব। এদিন প্রথমে মাছওয়ালার নজরে বিষয়টি আসে। তিনি একটি চিঠিও দেখতে পান। এরপরেই গোটা বিষয়টি পাড়ার সকলের নজরে আসে। স্থানীয়রা পুলিসকে খবর দেন।
কোচবিহার শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে ডাউয়াগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈশ্যপাড়া। মূল রাস্তার ডান দিকে নেমে এক কিমি ভিতরের এই গ্রামেই ঘটেছে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা। যার প্রভাব পড়েছে গোটা এলাকায়। কোচবিহারের পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য তদন্তের খাতিরে গ্রামে আসেন। তিনি জানিয়েছেন, দেহ দু’টি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
সোমবার সকালে বছর পঁয়ষট্টির বিজয়বাবুর মৃতদেহ উদ্ধার হয় আলমারি থেকে। পুলিস তদন্তে এসে আরও একটি মৃতদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে পায়। সেই দেহটি বিজয়বাবুর বোন মঙ্গলার ছেলে গোপালের (৫০)। এমন ঘটনায় এলাকায় কার্যত ভয়, আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
এদিন এলাকায় এসে দেখা গিয়েছে প্রতিবেশী মহিলাদের মুখে ভয়ের ছাপ। পুলিস তদন্তের স্বার্থে বিজয়কুমার বৈশ্যর বাড়ি সিল করে দিয়েছে। এখন বাড়িতে কয়েকটি গবাদিপশু আছে। বাড়িতে কোনও মানুষ নেই। জোড়া মৃতদেহ উদ্ধারের কথা জানাজানি হতেই দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যার পরেও বাড়ির আশপাশে প্রচুর মানুষের ভিড়। তাঁদের সকলের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। জমজমাট পাড়ার মধ্যে পরপর দু’টি মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সকলেই হতচকিত।
প্রতিবেশী ভাস্কর বৈশ্য বলেন, ওই বাড়িতে প্রণবের মা, বাবা, পিসি ও পিসতুতো দাদা থাকতেন। দুর্গাপুজোর আগে প্রণবের মা মারা যান। লক্ষ্মীপুজোর আগে প্রণবের পিসি মারা যান। এরপরেই পিসতুতো দাদা নিখোঁজ হয়ে যান। প্রণব নেশা করত। বাবাকে প্রায়ই মারধর করত। সেই কারণে ওর মা সরস্বতী বৈশ্য প্রায় বিমর্ষ থাকতেন। বিজয়বাবুর পায়ে কোনও সমস্যা হয়েছিল। তাই ওঁর পায়ের পাতা কেটে ফেলতে হয়েছিল। রবিবার রাতে ওই বাড়িতে গণ্ডগোল হচ্ছিল। আমার দাদা ঝগড়া শুনে সেখানে গেলে ওঁকেও গালিগালাজ করেছিল প্রণব। এদিন প্রথমে মাছওয়ালার নজরে বিষয়টি আসে। তিনি একটি চিঠিও দেখতে পান। এরপরেই গোটা বিষয়টি পাড়ার সকলের নজরে আসে। স্থানীয়রা পুলিসকে খবর দেন।
কোচবিহার শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে ডাউয়াগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈশ্যপাড়া। মূল রাস্তার ডান দিকে নেমে এক কিমি ভিতরের এই গ্রামেই ঘটেছে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা। যার প্রভাব পড়েছে গোটা এলাকায়। কোচবিহারের পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য তদন্তের খাতিরে গ্রামে আসেন। তিনি জানিয়েছেন, দেহ দু’টি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।



