সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: জাতীয় ব্যাম্বু মিশনের মাধ্যমে রাজ্যের বাঁশশিল্পীদের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর কাছে দরবার করলেন সুকান্ত মজুমদার। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকেই প্রকল্পের কাজ শুরুর ভাবনা মন্ত্রীর। মন্ত্রক যাতে ব্যাম্বু মিশনে রাজ্যে কাজ করে, সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানকে চিঠি দিয়েছিলেন বালুরঘাটের সাংসদ। এরপরেই শিবরাজ চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির মাধ্যমে ব্যাম্বু মিশনে কাজ করবে কেন্দ্র। রাজ্যে বাঁশশিল্পীদের প্রশিক্ষণ ও বাঁশের সামগ্রী বিপণনের ব্যবস্থা করা হবে।
Advertisement
জেলার কুশমণ্ডি, বংশীহারি ও হরিরামপুর ব্লক জুড়ে রয়েছেন কয়েকশো বাঁশ শিল্পী। তাঁরা বাঁশ দিয়ে ডালি, কুলো, ঝুড়ি তৈরি করেন। পাশাপাশি কুশমন্ডির ঊষাহরণ এলাকা বাঁশশিল্পীরা রাজ্য সরকারের শিল্প দপ্তরের মাধ্যমে বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন গৃহসজ্জার সামগ্রী তৈরি করছেন। তবে বাঁশশিল্পীদের তৈরি সামগ্রী বিক্রির কোনও ব্যবস্থা নেই। সুকান্ত বলেন, রাজ্যে ব্যাম্বু মিশন চালুর জন্য কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্য কোনও নোডাল এজেন্সিকে যুক্ত করতে পারেনি বলে প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না বাঁশশিল্পীরা।
যদিও রাজ্য ব্যাম্বু মিশন চালু না হওয়ার পিছনে কেন্দ্রের ব্যর্থতাকে সামনে এনেছে তৃণমূল। দলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, সম্প্রতি ধনলক্ষ্মী উৎসব করার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর চৈতন্য হয়েছে যে রাজ্যে বাঁশশিল্পীরা আছেন। ২০১৯ সালে কেন্দ্র ব্যাম্বু মিশন চালু করেছে। যারা পার্লামেন্টে যান, তাঁদের কাজ রাজ্যের জন্য সুবিধা আদায় করে আনা। সুকান্তবাবুরা ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা বন্ধ করে এখন রাজ্যের কাঁধে দোষ চাপাতে ব্যস্ত।
যদিও রাজ্য ব্যাম্বু মিশন চালু না হওয়ার পিছনে কেন্দ্রের ব্যর্থতাকে সামনে এনেছে তৃণমূল। দলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, সম্প্রতি ধনলক্ষ্মী উৎসব করার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর চৈতন্য হয়েছে যে রাজ্যে বাঁশশিল্পীরা আছেন। ২০১৯ সালে কেন্দ্র ব্যাম্বু মিশন চালু করেছে। যারা পার্লামেন্টে যান, তাঁদের কাজ রাজ্যের জন্য সুবিধা আদায় করে আনা। সুকান্তবাবুরা ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা বন্ধ করে এখন রাজ্যের কাঁধে দোষ চাপাতে ব্যস্ত।



