সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: অপহরণ করে ভিনরাজ্যে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল। সেই ছক বানচাল করল হেমতাবাদ থানার পুলিস। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারি থেকে হেমতাবাদের অপহৃত নাবালিকাকে উদ্ধার করার পাশাপাশি অপহরণে মূল অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করলে বিচারক ধৃতের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম সুরজ কিস্কু। বাড়ি বংশীহারি থানা এলাকায়। তাকে শনিবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি সুরজের বাড়ি থেকেই উদ্ধার করা হয় অপহৃত নাবালিকাকে।
ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ নাবালিকা বাড়ি থেকে টিউশন যাওয়ার পথে সুরজ ও তার সঙ্গীরা অপহরণ করে। পরিবার নাবালিকাকে খুঁজে না পেয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হয়। সুরজ সহ মোট চারজনের নামে নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগ জমা পড়ে হেমতাবাদ থানায়। তদন্ত শুরু করে পুলিস।
নাবালিকার বাবা বলেন, আমার মেয়েকে মাঝেমধ্যেই উত্যক্ত করত সুরজ। মেয়ে টিউশন পড়তে যাচ্ছিল। সেই সময় সুযোগ বুঝে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মেয়েকে বাড়িতে আটকে রেখেছিল অপহরণকারীরা। ভিনরাজ্যে আমার মেয়েকে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল সুরজদের।
যদিও ধৃত সুরজের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নাবালিকার সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই নাবালিকা স্বেচ্ছায় তার কাছে গিয়েছিল। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, নাবালিকাকে উদ্ধার করে হোমে পাঠানোর পাশাপাশি মূল অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার উদ্দেশ্য কী ছিল, সেসব খতিয়ে দেখছি আমরা।
ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ নাবালিকা বাড়ি থেকে টিউশন যাওয়ার পথে সুরজ ও তার সঙ্গীরা অপহরণ করে। পরিবার নাবালিকাকে খুঁজে না পেয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হয়। সুরজ সহ মোট চারজনের নামে নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগ জমা পড়ে হেমতাবাদ থানায়। তদন্ত শুরু করে পুলিস।
নাবালিকার বাবা বলেন, আমার মেয়েকে মাঝেমধ্যেই উত্যক্ত করত সুরজ। মেয়ে টিউশন পড়তে যাচ্ছিল। সেই সময় সুযোগ বুঝে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মেয়েকে বাড়িতে আটকে রেখেছিল অপহরণকারীরা। ভিনরাজ্যে আমার মেয়েকে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল সুরজদের।
যদিও ধৃত সুরজের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নাবালিকার সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই নাবালিকা স্বেচ্ছায় তার কাছে গিয়েছিল। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, নাবালিকাকে উদ্ধার করে হোমে পাঠানোর পাশাপাশি মূল অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার উদ্দেশ্য কী ছিল, সেসব খতিয়ে দেখছি আমরা।



