সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বংশীহারি একলব্য মডেল স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার ঘিরে জটিলতা। ঠিকাদার সংস্থা অংশগ্রহণ করতে না পেরে অভিযোগ জানাল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।
Advertisement
জেলা অনগ্রসর উন্নয়ন দপ্তর ওই স্কুলে কাজ করার জন্য টেন্ডার ডাকে। তারপরেই অনলাইন টেন্ডারে জেলার ঠিকাদার সংস্থা অংশগ্রহণ করতে পারছে না বলে অভিযোগ সামনে আসে। সংস্থার দাবি, সরকারি কাজ পাওয়ার জন্য অনলাইনে যে দরপত্র দিতে হয়, নির্দিষ্টভাবে একটি জায়গায় লক থাকার জন্য টেন্ডারে অংশ নিতে পারেনি। এমন সমস্যা নিয়ে নির্দিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করলেও সমাধান হয়নি বলে দাবি ঠিকাদার সংস্থার। বাধ্য হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে সেই সংস্থা।
জেলা অনগ্রসর দপ্তরের প্রজেক্ট আধিকারিক সুজয় সাধুকে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ করলেও উত্তর দেননি। দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার দেবোত্পল সরকারের কথায়, অনলাইন টেন্ডারে বিড করতে পারছেন না শুনেছি। কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে। টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ১৪ ডিসেম্বর, শনিবার। সেক্ষেত্রে দপ্তর কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ ঠিকাদার সংস্থার।
আগেও একবার এই স্কুলে কাজ করার জন্য টেন্ডার করেছিল দপ্তর। কোনও কারণে তা বাতিলও করা হয়। দ্বিতীয়বার টেন্ডার করলেও জটিলতা পিছু ছাড়ছে না। ঠিকাদার সংস্থাগুলির কয়েকটির অভিযোগ, একলব্য স্কুলের উন্নয়ন কাজে কত বরাদ্দ, তার কোনও উল্লেখ নেই টেন্ডার নোটিসে।
জেলা অনগ্রসর উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়ে ও ছেলেদের নতুন ও পুরনো হস্টেল সংস্কার, পিসিসি রোডসহ পাঁচটি কাজ রয়েছে। দপ্তরের তহবিল থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার কাজ করা হবে। বারবার টেন্ডার নিয়ে জটিলতা হওয়ায় প্রশ্ন জাগছে ঠিকাদারদের একাংশের মনে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে উন্নয়নমূলক কাজ করার দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেছেন অনেকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্তা বলেন, জেলার অধিকাংশ ঠিকাদার অনলাইন টেন্ডারে বিড করতে পারছেন না। শুধুমাত্র একটি জায়গার বিওকিউ লক করা আছে, সেটি দপ্তর ভালো করে জানে। টেকনিক্যাল সমস্যা, নাকি বিশেষ কাউকে সুবিধা দিতে লক করা হয়েছে সন্দেহ জাগছে। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) রবিপ্রকাশ মিনার কথায়, ঠিকাদার সংস্থা অনলাইনে বিড করতে পারছে না বলে শুনেছি। টেকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে। প্রয়োজন হলে নতুন করে টেন্ডার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জেলা অনগ্রসর দপ্তরের প্রজেক্ট আধিকারিক সুজয় সাধুকে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ করলেও উত্তর দেননি। দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার দেবোত্পল সরকারের কথায়, অনলাইন টেন্ডারে বিড করতে পারছেন না শুনেছি। কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে। টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ১৪ ডিসেম্বর, শনিবার। সেক্ষেত্রে দপ্তর কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ ঠিকাদার সংস্থার।
আগেও একবার এই স্কুলে কাজ করার জন্য টেন্ডার করেছিল দপ্তর। কোনও কারণে তা বাতিলও করা হয়। দ্বিতীয়বার টেন্ডার করলেও জটিলতা পিছু ছাড়ছে না। ঠিকাদার সংস্থাগুলির কয়েকটির অভিযোগ, একলব্য স্কুলের উন্নয়ন কাজে কত বরাদ্দ, তার কোনও উল্লেখ নেই টেন্ডার নোটিসে।
জেলা অনগ্রসর উন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মেয়ে ও ছেলেদের নতুন ও পুরনো হস্টেল সংস্কার, পিসিসি রোডসহ পাঁচটি কাজ রয়েছে। দপ্তরের তহবিল থেকে প্রায় দুই কোটি টাকার কাজ করা হবে। বারবার টেন্ডার নিয়ে জটিলতা হওয়ায় প্রশ্ন জাগছে ঠিকাদারদের একাংশের মনে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে উন্নয়নমূলক কাজ করার দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেছেন অনেকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্তা বলেন, জেলার অধিকাংশ ঠিকাদার অনলাইন টেন্ডারে বিড করতে পারছেন না। শুধুমাত্র একটি জায়গার বিওকিউ লক করা আছে, সেটি দপ্তর ভালো করে জানে। টেকনিক্যাল সমস্যা, নাকি বিশেষ কাউকে সুবিধা দিতে লক করা হয়েছে সন্দেহ জাগছে। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) রবিপ্রকাশ মিনার কথায়, ঠিকাদার সংস্থা অনলাইনে বিড করতে পারছে না বলে শুনেছি। টেকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে। প্রয়োজন হলে নতুন করে টেন্ডার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



