নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: বারাকপুরের ধোবিঘাটের ওপারে রয়েছে শ্রীরামপুর। বর্তমানে এই ধোবিঘাট দিয়ে রোজ হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এবার বিশ্ব ব্যাঙ্কের টাকায় এই ফেরিঘাট সহ আশপাশের চত্বর ঢেলে সাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
এই ফেরিঘাটে যাত্রীদের বসার মতো জায়গা নেই। বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি দোকান গজিয়ে উঠেছে। বারাকপুর স্টেশন থেকে এস এন ব্যানার্জি রোড হয়ে এই ফেরিঘাটে যাওয়ার রাস্তাও অত্যন্ত বেহাল। গঙ্গার সামনে রাস্তা খানাখন্দে ভর্তি। তবে, এই ফেরিঘাটের আশপাশে বেশ কয়েকটি উন্নতমানের স্কুল রয়েছে। ফলে এই ফেরিঘাটে স্কুল পড়ুয়া থেকে অভিভাবকদের ভিড় লেগেই থাকে। আর নিত্যযাত্রীর ভিড় তো আছেই। এবার বিশ্ব ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় কয়েক কোটি টাকায় জায়গাটি সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্য পরিবহণ দপ্তর এবং বারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের মধ্যে কয়েক দফার বৈঠকও হয়ে গিয়েছে। ধোবিঘাট থেকে এস এন ব্যানার্জি রোডের উপর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত গোটা এলাকার সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংস্কার করা হবে রাস্তাও। ধোবিঘাটে বসার ব্যবস্থাও করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আইনজীবী বীরেন ভগত বলেন, বহুদিন এই ঘাটটি সংস্কার করার উদ্যোগ কেউ নেয়নি। এই ঘাটেই দুর্ঘটনায় অনেকের প্রাণহানি হয়েছিল। নতুন করে এই এলাকা সাজিয়ে তোলা হচ্ছে জেনে খুব ভালো লাগছে। এই উদ্যোগ অনেক আগেই নেওয়া দরকার ছিল। সন্ধ্যার পর ওই রাস্তা দিয়ে ফেরিঘাটে যেতে গা ছমছম করে।
আর বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস মনে করেন, ধোবিঘাট-শ্রীরামপুরের মধ্যে ফেরি ব্যবহার করে বহু মানুষ। সেখানে একটি গঙ্গার উপরে ব্রিজ তৈরি করলে সব সমস্যার সমাধান হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের এ ব্যাপারে এগিয়ে আসা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা আইনজীবী বীরেন ভগত বলেন, বহুদিন এই ঘাটটি সংস্কার করার উদ্যোগ কেউ নেয়নি। এই ঘাটেই দুর্ঘটনায় অনেকের প্রাণহানি হয়েছিল। নতুন করে এই এলাকা সাজিয়ে তোলা হচ্ছে জেনে খুব ভালো লাগছে। এই উদ্যোগ অনেক আগেই নেওয়া দরকার ছিল। সন্ধ্যার পর ওই রাস্তা দিয়ে ফেরিঘাটে যেতে গা ছমছম করে।
আর বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস মনে করেন, ধোবিঘাট-শ্রীরামপুরের মধ্যে ফেরি ব্যবহার করে বহু মানুষ। সেখানে একটি গঙ্গার উপরে ব্রিজ তৈরি করলে সব সমস্যার সমাধান হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের এ ব্যাপারে এগিয়ে আসা উচিত।



