সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: শীতের মরশুমে মৃতদেহের চাপ বাড়ছে। তাই দেখে নবদ্বীপ পুরসভা শ্মশানযাত্রীদের জন্য নতুন বিশ্রামাগার তৈরির কথা ভাবছে। নবদ্বীপ মহাশ্মশানে তিনটি অপেক্ষা ঘর থাকলেও তা যথেষ্ট নয় বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠছিল। বিশ্রামের ভালো ব্যবস্থা না থাকায় শীতের মরশুমে মৃতদেহের সঙ্গে শ্মশানে আসা বাড়ির লোকজনদের ক্ষোভ বাড়ছিল। সেই ক্ষোভের কথা মাথায় রেখেই আরও একটি বিশ্রামাগার তথা অপেক্ষা ঘরের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা। জানা গিয়েছে, নবদ্বীপের এই মহাশ্মশানে নদীয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত সহ পার্শ্ববর্তী পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা, বনগাঁ, বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুর সহ দূর-দুরান্ত থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৫৫টি মৃতদেহ দাহ করা হয়। এমনকী রাজ্যের বাইরে ঝাড়খণ্ড থেকেও মৃতদেহ আসে এই মহাশ্মশানে।
Advertisement
দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনার অভাবে ভুগছে নবদ্বীপ মহাশ্মশান। এটি তৈরিতে বিস্তীর্ণ এলাকা ব্যবহৃত হলেও এর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরিকল্পনার অভাব ফুটে উঠছে দিনের পর দিন।
মৃতদেহ সৎকার করার আগে বেশিরভাগ বাড়ির লোকজনকে অপেক্ষা করতে হয় খোলা আকাশের নীচে। অপেক্ষার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপদ আশ্রয়স্থলও গড়ে তোলা যায়নি। যদিও মৃতদেহ সহ যাত্রীদের জন্য দু-তিনটি বিশ্রামাগার সহ বসার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এই শ্মশানে মৃতদেহ ও শ্মশান যাত্রীদের নিয়ে আসা ম্যাটাডর, লরি, ট্রাক্টর, বাস যানবাহনে নাজেহাল স্থানীয় বাসিন্দারাও। কোনও কোনও মৃতদেহের সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ জন শ্মশানযাত্রীও এখানে আসেন। এখানে যে মৃতদেহ সহ যাত্রীদের জন্য একটি বিশ্রামাগার রয়েছে সেখানে প্রায় ১৬টির মতো মৃতদেহ সহ কিছু শ্মশান যাত্রী আশ্রয় নিতে পারেন। অন্য একটি সংস্থা শ্মশান চত্বরে একটি বিশ্রামাগার করলেও তাতে প্রয়োজন মেটেনি। এখানে মৃতদেহ সৎকার করার তিনটি বৈদ্যুতিক চুল্লি, প্রায় পাঁচটির মতো কাঠের চুল্লি রয়েছে। পর্যাপ্ত আলো, পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকলেও বিশ্রামাগারের অভাব রয়েছে।
এদিকে নদীয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকলেও নবদ্বীপ শ্মশানে সেটা রয়েছে। কিন্তু তার জন্য ঘণ্টা পিছু অর্থমূল্য এতটাই বেশি যে, অনেকের ইচ্ছা থাকলেও দেহ সংরক্ষিত রাখতে পারেন না। নবদ্বীপ মহাশ্মশান কর্মী শিফট ইনচার্জ মানব সাহা বলেন, শীত পড়তেই মৃতদেহের সংখ্যা বাড়ছে। অধিকাংশ সময় শ্মশান যাত্রীদের কোনও ফাঁকা জায়গায় বা দোকানগুলির শেডের নীচে অপেক্ষা করতে হয়। নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, নবদ্বীপ শ্মশানে সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে শ্মশান চত্বরে সৌন্দর্যায়নের কাজও হয়েছে। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে তিনটি বিশ্রামাগার রয়েছে। সেগুলির জায়গা পুরসভাই দিয়েছে। তবে আরও একটি বিশ্রামাগার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মৃতদেহ সৎকার করার আগে বেশিরভাগ বাড়ির লোকজনকে অপেক্ষা করতে হয় খোলা আকাশের নীচে। অপেক্ষার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপদ আশ্রয়স্থলও গড়ে তোলা যায়নি। যদিও মৃতদেহ সহ যাত্রীদের জন্য দু-তিনটি বিশ্রামাগার সহ বসার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এই শ্মশানে মৃতদেহ ও শ্মশান যাত্রীদের নিয়ে আসা ম্যাটাডর, লরি, ট্রাক্টর, বাস যানবাহনে নাজেহাল স্থানীয় বাসিন্দারাও। কোনও কোনও মৃতদেহের সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ জন শ্মশানযাত্রীও এখানে আসেন। এখানে যে মৃতদেহ সহ যাত্রীদের জন্য একটি বিশ্রামাগার রয়েছে সেখানে প্রায় ১৬টির মতো মৃতদেহ সহ কিছু শ্মশান যাত্রী আশ্রয় নিতে পারেন। অন্য একটি সংস্থা শ্মশান চত্বরে একটি বিশ্রামাগার করলেও তাতে প্রয়োজন মেটেনি। এখানে মৃতদেহ সৎকার করার তিনটি বৈদ্যুতিক চুল্লি, প্রায় পাঁচটির মতো কাঠের চুল্লি রয়েছে। পর্যাপ্ত আলো, পানীয় জলের ব্যবস্থা থাকলেও বিশ্রামাগারের অভাব রয়েছে।
এদিকে নদীয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকলেও নবদ্বীপ শ্মশানে সেটা রয়েছে। কিন্তু তার জন্য ঘণ্টা পিছু অর্থমূল্য এতটাই বেশি যে, অনেকের ইচ্ছা থাকলেও দেহ সংরক্ষিত রাখতে পারেন না। নবদ্বীপ মহাশ্মশান কর্মী শিফট ইনচার্জ মানব সাহা বলেন, শীত পড়তেই মৃতদেহের সংখ্যা বাড়ছে। অধিকাংশ সময় শ্মশান যাত্রীদের কোনও ফাঁকা জায়গায় বা দোকানগুলির শেডের নীচে অপেক্ষা করতে হয়। নবদ্বীপ পুরসভার চেয়ারম্যান বিমানকৃষ্ণ সাহা বলেন, নবদ্বীপ শ্মশানে সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে শ্মশান চত্বরে সৌন্দর্যায়নের কাজও হয়েছে। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে তিনটি বিশ্রামাগার রয়েছে। সেগুলির জায়গা পুরসভাই দিয়েছে। তবে আরও একটি বিশ্রামাগার করার পরিকল্পনা রয়েছে।



