সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: খড়্গপুর শহরে নিকাশি ও আবর্জনা পরিষ্কার ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এবার পথে নামলেন এসডিও। পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার তারাশঙ্কর পরামাণিককে নিয়ে তিনি প্রতিদিন একাধিক ওয়ার্ডে যাচ্ছেন। ডেকে নেওয়া হচ্ছে সেই সব ওয়ার্ডের কাউন্সিলারদেরও। খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুরসভার পরিকাঠামোও। পরিদর্শনের পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু নির্দেশও দিচ্ছেন। নিচ্ছেন পরিকাঠামো উন্নয়নের ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রদীপ সরকারের ছ’নম্বর ওয়ার্ড ও চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষের সাত নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। চেয়ারপার্সন বলেন, সমস্ত শহরকে পরিষ্কার রাখতে বলা হয়েছে। তাই এসডিও এগজিকিউটিভ অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন। যেদিন যে ওয়ার্ডে যাচ্ছেন, আগের দিন সেই ওয়ার্ডের কাউন্সিলারকে জানিয়ে দিচ্ছেন। এর আগে তিনি ৩৩, ৩৪, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। প্রদীপবাবু বলেন, এদিন তিনি আমার ওয়ার্ডে এসেছিলেন। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন। চেয়ারপার্সন আরও বলেন, এলাকা পরিষ্কার রাখতে এদিন সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন খাবার দোকান, রেস্তরাঁয় আবর্জনা জমা করার ডাস্টবিন দেওয়া হয়। প্রতিদিন রাতে পুরসভার পরিবেশ বন্ধুরা সেই সব আবর্জনা সংগ্রহ করবেন।
Advertisement
এসডিও পাতিল যোগেশ অশোক রাও বলেন, বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে মূলত সাফাইয়ের কাজ দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি পুরসভার পরিকাঠামো ঠিক আছে কি না, তাও দেখা হচ্ছে। শহরের অনেকটাই পরিষ্কার আছে। তবে কিছু জায়গায় আবর্জনা জমে আছে। সেগুলো পরিষ্কার করতে বলা হয়েছে। কিছু জায়গায় খোলা ভ্যাট আছে। সেখানে আবর্জনা এনে ফেলা হয়। সেই সব খোলা ভ্যাটকে পরিবেশ বান্ধব ভ্যাটে পরিবর্তন করতে বলা হয়েছে। গাড়ির অভাবে কিছু জায়গায় আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সেই সমস্যা মেটাতে দশটা নতুন গাড়ি কেনা হচ্ছে। তিনি বলেন, পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি ও হিজলি গ্রামীণ হাসপাতালও পরিদর্শন করা হয়। সেখানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাও খতিয়ে দেখা হয়। এভাবে ৩৫টি ওয়ার্ডই পরিদর্শন করা হবে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরে নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কার হয় না। অনেক জায়গায় নিকাশির অভাবে নর্দমার জল রাস্তা দিয়ে বয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। শহরের আবর্জনা তুলে নিয়ে গিয়ে এক জায়গায় জমা করা নিয়েও সমস্যা আছে। এখনও সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে চালু করা যায়নি। ফলে জমা আবর্জনা রিসাইক্লিং করা যাচ্ছে না। এটা একটা বড় সমস্যা। কিছু পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরি হয়েছে, তবে সব জায়গায় তা করা সম্ভব হচ্ছে না। অভিযোগ, রেল এলাকায় এই ভ্যাট তৈরিতে বাধা আসছে। আবার কাউন্সিলারদের অভিযোগ, এক একটি ওয়ার্ডে একাধিক পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরি করা হচ্ছে। অনেক ওয়ার্ডকে বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তা নিয়ে পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলাররা।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরে নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কার হয় না। অনেক জায়গায় নিকাশির অভাবে নর্দমার জল রাস্তা দিয়ে বয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। শহরের আবর্জনা তুলে নিয়ে গিয়ে এক জায়গায় জমা করা নিয়েও সমস্যা আছে। এখনও সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে চালু করা যায়নি। ফলে জমা আবর্জনা রিসাইক্লিং করা যাচ্ছে না। এটা একটা বড় সমস্যা। কিছু পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরি হয়েছে, তবে সব জায়গায় তা করা সম্ভব হচ্ছে না। অভিযোগ, রেল এলাকায় এই ভ্যাট তৈরিতে বাধা আসছে। আবার কাউন্সিলারদের অভিযোগ, এক একটি ওয়ার্ডে একাধিক পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট তৈরি করা হচ্ছে। অনেক ওয়ার্ডকে বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তা নিয়ে পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন কাউন্সিলাররা।



