Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেশি দামে সার বিক্রিতে দুই ডিলার সাসপেন্ড, শোকজ ২০ জনকে

বেশি দামে সার বিক্রিতে দুই ডিলার সাসপেন্ড, শোকজ ২০ জনকে
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: সরকারি নির্ধারিত দামের থেকে বেশি টাকায় সার বিক্রি করায় দু’জন ডিলারকে সাসপেন্ড ও ২০ জনকে শোকজ করল জেলা কৃষি দপ্তর।
Advertisement
গত বৃহস্পতিবার ‘বর্তমান’ পত্রিকায় জেলাজুড়ে সারের কালোবাজারির খবর প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে কৃষি দপ্তর। আধিকারিকদের নজরে এসেছে, জেলার বহু সারের ডিলার কৃষকদের থেকে নির্ধারিত মূল্যের তুলনায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন। বংশীহারি ও তপন ব্লকের এমন দু’জন ডিলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এছাড়া শোকজ করা হয়েছে বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর মহকুমার ২০ জন সারের ডিলারকে। 
কৃষকদের অভিযোগ, ৫০ কেজি রাসায়নিক সার ১৪৭০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও সরকার নির্ধারিত মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতি বস্তা কৃষকদের কিনতে হচ্ছে ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকা দরে। কেন্দ্র বস্তাপিছু ৬৩৯ টাকা ভর্তুকি দিলেও সারেরচ দাম কম নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। জেলাজুড়ে কৃষি দপ্তর অভিযান চালালেও মঙ্গলবার কৃষকেরা ১৯০০ থেকে ২০০০ টাকা দরেই সার কিনে রবি ফসল রোপণের কাজ করলেন। জেলার আটটি ব্লক এলাকায় এমন ঘটনা হতে থাকলেও কৃষি দপ্তরের দাবি, কোনও কৃষক অভিযোগ দায়ের করেননি।
জেলা কৃষি অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, সারের কালোবাজারি বলা যাবে না। আমাদের জেলায় রাসায়নিক সার পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ওই সারের যা দাম, তার থেকে বেশি নিচ্ছে সারের ডিলাররা। দপ্তরের টাস্ক ফোর্স অভিযানে নেমে দু’জন ডিলারকে সাসপেন্ড করেছে। ২০ জন ডিলারকে শোকজ করা হয়েছে। এখনও কৃষকদের কাছ থেকে অভিযোগ আসেনি।
কৃষকরা বেশি দাম দিয়ে সার কিনলেও কেন অভিযোগ করছেন না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, তাঁরা বাধ্য হয়েছেন মুখ বন্ধ রাখতে। বংশীহারি ব্লকের নারায়ণপুর এলাকার কৃষক রবিউল হক বলেন, বস্তার গায়ে যে দাম লেখা রয়েছে, সেই টাকায় কেনার ব্যবস্থা করে দিক কৃষি দপ্তর। যেখান থেকে বলবে, সার নিয়ে আসব। এখন অভিযোগ করতে গেলে ডিলাররা আর সার দেবে না। ফসল রোপন করতেও সমস্যায় পড়ব আমরা। 
সম্পর্কিত সংবাদ