সংবাদদাতা, চাঁচল: গত কয়েক বছর বোরো ধান চাষ করতে গিয়ে চারার সঙ্কটে ভুগেছেন চাষিরা। কারণ শীতকালে ঘন কুয়াশায় চারা প্রায় অর্ধেক নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তখন চড়া দামে কিনে চাষ করতে হয়। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন খরচের পর লাভের মুখ দেখতে পান না চাষিরা। সেই সঙ্কট মেটাতে চাঁচল-১ ব্লক এলাকার চাষিদের বোরো ধানের চারা তৈরির জন্য বেশি বীজ ফেলা ও নিয়মিত পরিচর্যার পরামর্শ দিয়েছে কৃষি দপ্তর।
Advertisement
ব্লকের ৬০ টি মৌজার প্রায় ৩ হাজার হেক্টর দুই ফসলি জমিতে ধান চাষ হয়। তবে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় লোকসানও কম হয় না। চাষিরা যাতে সঠিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে লাভবান হয়, তার জন্য কৃষিদপ্তরের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দেওয়া ও সচেতন করা হয়। এলাকার চাষিরা জানিয়েছেন, চলতি মরসুমে খেত্তিস, ২৭পি২২, জিরা ও ৪০৯৪ প্রজাতির ধান চাষ হবে। তবে বোরো মরসুমে বিবি ১১ (লাল) প্রজাতির ধান চাষ বেশি হয় চাঁচল এলাকায়।
সন্তোষপুরে চাষি রেজাউল করিমের কথায়, গতবছর বোরো মরশুমে ধানচারার জন্য হন্যে হয়ে বিভিন্ন মাঠে ঘুরে বেরিয়েছি। চারা পাওয়া গেলেও তখন দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়েছিল। নিজের জমিতে প্রয়োজনীয় চারা ফেললেও কুয়াশার কারণে নষ্ট হওয়ায় খরচ বাড়ে।
ভগবতীপুরের লালু মহম্মদ বলেন, পাঁচ বিঘা জমির জন্য পাঁচ কাঠা জমিতে বীজ ফেলতে হয়। সেখানে এবার ১০ কাঠায় বীজ ফেলেছি।
ব্লক সহ কৃষি আধিকারিক দীপঙ্কর দেব বলেন, কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে যাতে লাভবান হন, সেজন্য সবরকম সাহায্য ও সচেতন করা হচ্ছে। কুয়াশার জন্য এলাকায় ধানের চারা নষ্ট হয়। সেজন্য বেশি চারা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সঠিক সময়ে কীটনাশক স্প্রে ও পরিচর্যা করতে হবে।
সন্তোষপুরে চাষি রেজাউল করিমের কথায়, গতবছর বোরো মরশুমে ধানচারার জন্য হন্যে হয়ে বিভিন্ন মাঠে ঘুরে বেরিয়েছি। চারা পাওয়া গেলেও তখন দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়েছিল। নিজের জমিতে প্রয়োজনীয় চারা ফেললেও কুয়াশার কারণে নষ্ট হওয়ায় খরচ বাড়ে।
ভগবতীপুরের লালু মহম্মদ বলেন, পাঁচ বিঘা জমির জন্য পাঁচ কাঠা জমিতে বীজ ফেলতে হয়। সেখানে এবার ১০ কাঠায় বীজ ফেলেছি।
ব্লক সহ কৃষি আধিকারিক দীপঙ্কর দেব বলেন, কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে যাতে লাভবান হন, সেজন্য সবরকম সাহায্য ও সচেতন করা হচ্ছে। কুয়াশার জন্য এলাকায় ধানের চারা নষ্ট হয়। সেজন্য বেশি চারা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সঠিক সময়ে কীটনাশক স্প্রে ও পরিচর্যা করতে হবে।



