নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকারের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল কেন্দ্র। তারপরেই জেলায় বিজেপি সভাপতি রদবদলের জল্পনা তুঙ্গে। দলের একাংশের অনুমান, জেলা সভাপতিকে সরানো হতে পারে। সেই কারণে আগেভাগে নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের হাল ধরতে আনা হচ্ছে নতুন কাউকে।
Advertisement
ইতিমধ্যে দলের রাজ্য ও কেন্দ্রস্তরে সাংগঠনিক রদবদলের কার্যক্রম চলছে। স্বাভাবিকভাবে তার প্রভাব সপ্তাহ খানেকের মধ্যে জেলায় পড়বে বলে মনে করছেন একাংশ। জেলা সভাপতি অবশ্য বলেন, কী হবে, না হবে আমি জানি না। সাংগঠনিক রদবদলের মাধ্যমে নতুন সভাপতি আসতেই পারেন। আর যদি আমাকে রাখে, রাখবে। সেটা সম্পূর্ণ সাংগঠনিক বিষয়। এ ব্যাপারে কিছু জানি না। নিরাপত্তা প্রত্যাহারের জন্য আমিই বলেছিলাম। সেইমতো কাজ হয়েছে।
২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের মুখে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিজেপি সভাপতি হন বাসুদেব সরকার। তারপর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা পান তিনি। এদিকে বাসুদেববাবু সভাপতি হওয়ার পর জেলা বিজেপি বিধানসভা, লোকসভা ভোটে সাফল্য পায়। কিন্তু তারপরও সংগঠন পরিচালনা নিয়ে দলের অন্দরে বাসুদেববাবুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে থাকে। গত বছর বিধানসভা উপনির্বাচন বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মানস ঘোষকে জায়গা দেওয়া নিয়েও দলের অন্দরে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বাসুদেববাবুকে। শেষপর্যন্ত গেরুয়া প্রার্থী হেরে যাওয়ার রেশ এখনও জেলা বিজেপির অন্দরে রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলা সভাপতি হওয়ার দৌড়ে কিছু নতুন নাম বিজেপির অন্দরে ভেসে বেড়াচ্ছে। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী ও বিশ্বজিৎ লাহিড়ীর নাম রয়েছে। এছাড়াও ফাল্গুনী চক্রবর্তী, দিলীপ বর্মণ, কমল দেবনাথ, নির্মল দাম, অমিত সাহা, নিমাই কবিরাজ, তাপস বিশ্বাস, গৌতম বিশ্বাস রয়েছেন চর্চায়। এদের কেউ কেউ আগে জেলা বিজেপির বিভিন্ন দায়িত্বভার সামাল দিয়েছেন। অনেকে আবার বর্তমানে জেলার সাংগঠনিক পদে রয়েছেন।
বিজেপির এক নেতার কথায়, জেলা সভাপতির দৌড়ে থাকা নামগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনী চক্রবর্তী। তিনি আবার বর্তমান জেলা সভাপতির অনুগামী বলেই পরিচিত। এছাড়াও রয়েছেন জেলার সহ সভাপতি দিলীপ বর্মণ। তালিকায় থাকা কমল দেবনাথ জেলার সাধারণ সম্পাদক। তাপস বিশ্বাসও একই পদে রয়েছেন। নিমাই কবিরাজ জেলাসহ সভাপতির দায়িত্ব সামাল দিচ্ছেন। ওই তালিকায় রয়েছে প্রাক্তন কয়েকজন পদাধিকারী। এর মধ্যে জেলার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক অমিত সাহা, প্রাক্তন সভাপতি নির্মল দামও দৌড়ে রয়েছেন। বিশ্বজিৎ লাহিড়ী বলেন, সাংগঠনিক রদবদল দলের একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সেই নিয়মেই রদবদল হয়।
২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের মুখে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিজেপি সভাপতি হন বাসুদেব সরকার। তারপর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা পান তিনি। এদিকে বাসুদেববাবু সভাপতি হওয়ার পর জেলা বিজেপি বিধানসভা, লোকসভা ভোটে সাফল্য পায়। কিন্তু তারপরও সংগঠন পরিচালনা নিয়ে দলের অন্দরে বাসুদেববাবুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হতে থাকে। গত বছর বিধানসভা উপনির্বাচন বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মানস ঘোষকে জায়গা দেওয়া নিয়েও দলের অন্দরে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বাসুদেববাবুকে। শেষপর্যন্ত গেরুয়া প্রার্থী হেরে যাওয়ার রেশ এখনও জেলা বিজেপির অন্দরে রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলা সভাপতি হওয়ার দৌড়ে কিছু নতুন নাম বিজেপির অন্দরে ভেসে বেড়াচ্ছে। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তী ও বিশ্বজিৎ লাহিড়ীর নাম রয়েছে। এছাড়াও ফাল্গুনী চক্রবর্তী, দিলীপ বর্মণ, কমল দেবনাথ, নির্মল দাম, অমিত সাহা, নিমাই কবিরাজ, তাপস বিশ্বাস, গৌতম বিশ্বাস রয়েছেন চর্চায়। এদের কেউ কেউ আগে জেলা বিজেপির বিভিন্ন দায়িত্বভার সামাল দিয়েছেন। অনেকে আবার বর্তমানে জেলার সাংগঠনিক পদে রয়েছেন।
বিজেপির এক নেতার কথায়, জেলা সভাপতির দৌড়ে থাকা নামগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনী চক্রবর্তী। তিনি আবার বর্তমান জেলা সভাপতির অনুগামী বলেই পরিচিত। এছাড়াও রয়েছেন জেলার সহ সভাপতি দিলীপ বর্মণ। তালিকায় থাকা কমল দেবনাথ জেলার সাধারণ সম্পাদক। তাপস বিশ্বাসও একই পদে রয়েছেন। নিমাই কবিরাজ জেলাসহ সভাপতির দায়িত্ব সামাল দিচ্ছেন। ওই তালিকায় রয়েছে প্রাক্তন কয়েকজন পদাধিকারী। এর মধ্যে জেলার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক অমিত সাহা, প্রাক্তন সভাপতি নির্মল দামও দৌড়ে রয়েছেন। বিশ্বজিৎ লাহিড়ী বলেন, সাংগঠনিক রদবদল দলের একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সেই নিয়মেই রদবদল হয়।



