Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ষবরণের রাতে ২ পুলিস জেলায় ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনে ১৮০ মামলা

বর্ষবরণের রাতে ২ পুলিস জেলায় ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনে ১৮০ মামলা
  • ২ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: বর্ষবরণের রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাইক নিয়ে স্টান্টবাজির চেনা ছবি ধরা পড়ল নদীয়ার দুই পুলিস জেলাতেই। এক রাতে পুলিসি অভিযানে জেলায় প্রায় ১৮০টি মামলা করা হয়েছে।
Advertisement
বর্ষবরণের রাতে কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিশাল বাহিনী মোতায়েন ছিল। মূলত নেশাগ্রস্ত বাইকচালকদের ধরতেই কৃষ্ণনগর-বহরমপুর জাতীয় সড়ক, পলাশীতেও ছিল বজ্র আঁটুনি। রানাঘাট পুলিস জেলার শান্তিপুর থেকে কল্যাণী অবধি বিস্তীর্ণ এলাকাতেও একই মাত্রায় পুলিস সক্রিয় ছিল। হেলমেটবিহীন বাইক, ওভারস্পিডিং, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাইক চালানোর ঘটনায় চুটিয়ে মামলা দায়ের করেছে পুলিস।
নববর্ষের সকালে প্রকাশিত দুই পুলিস জেলার রিপোর্ট বলছে, ১৮০টির কাছাকাছি কেস হয়েছে। এর মধ্যে কৃষ্ণনগর পুলিস জেলাই ১০৯টি কেস করেছে। তাদের তালিকা অনুযায়ী, বর্ষবরণের রাতে পাঁচজন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাইক চালিয়ে ধরা পড়েছে। সাধারণত সারাবছর অভিযানে এই সংখ্যক নেশাগ্রস্ত বাইক চালক ধরা পড়ে। সেখানে বর্ষবরণের এক রাতেই পাঁচজন ধরা পড়ল। বিপজ্জনকভাবে বাইক চালিয়ে তিনজন ধরা পড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে বিনা হেলমেটে বাইক চালানোর জন্য। ৫৪জনের বিরুদ্ধে এজন্য মামলা করা হয়েছে। আরও বিভিন্ন কারণে রোড ট্রাফিক আইনে ৪৭জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মোট মামলার সংখ্যার নিরিখে কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও নেশাগ্রস্ত বাইকচালক ধরার ক্ষেত্রে টেক্কা দিয়েছে রানাঘাট পুলিস জেলা। বর্ষবরণের রাতে ১১জন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাইক চালিয়ে ধরা পড়েছে। 
অবশ্য এই সংখ্যা জেলার রানাঘাট ও কল্যাণীর মতো দু’টি বড় শহর মিলিয়ে। বিনা হেলমেটে বাইক চালানোয় প্রায় ৩০জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। রানাঘাটের উপকণ্ঠে কুপার্স রোডে বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে প্রায় সারা রাত চলে স্টান্টবাজি। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে দুরন্ত গতিতে বাইক চালিয়ে রেসিংয়ের একাধিক ছবি সারা রাত ধরা পড়েছে।
রানাঘাট পুলিস জেলার ডিএসপি(ট্রাফিক) সঞ্জয় কুমার বলেন, সারাবছর আমরা পথ নিরাপত্তার দিকে নজর দিই। তবে বর্ষবরণের রাতে অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হয়। তার সুবাদেই আমরা এক রাতে প্রায় ৭০টি মামলা করতে পেরেছি।
সম্পর্কিত সংবাদ