সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: বর্ষা মিটতেই ফের শুরু হয়েছে অবাধে বালি ও মাটি কাটা। নবদ্বীপ মহিশুরা পঞ্চায়েতের ভাঙন কবলিত মালিতা পাড়ায় নদী তীরবর্তী এলাকার মাটি কেটে নেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কারণ এই এলাকাটি ভাঙনপ্রবণ। মাটি কাটার জেরে ভাঙন ভয়ঙ্কর আকার নিতে পারে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, কয়েক দিন যাবত ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই প্রায় ১০টি ট্রাক্টরে করে মাটি মাফিয়ারা এই কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, মাটি বোঝাই ভারী ট্রাক্টর যাতায়াতের ফলে ভেঙে যাচ্ছে গ্রামের রাস্তাগুলি। ট্রাক্টরের যাতায়াতে রাস্তাঘাট ধুলোয় অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। ধুলোর জেরে অতিষ্ঠ মালিতা পাড়া ও মাঝের চড়ার গ্রামবাসীরা।
Advertisement
উল্লেখ্য, মহিশুরা পঞ্চায়েতের ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকার মালিতা পাড়া, চৌধুরী পাড়ায় বছরভর কমবেশি নদী ভাঙন চলতেই থাকে। সেই ভাঙন কবলিত নদী তীরবর্তী মালিতাপাড়ায় যেভাবে অবাধে মাটি কাটছে অসাধু কারবারিরা, তাতে আগামী দিনে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
জানা গিয়েছে, নদী তীরবর্তী এলাকার বেশকিছু জমির মালিক তাঁদের জমির মাটি বিক্রি করছেন। সেই সব মাটি কম দামে কিনে নিচ্ছে মাটি মাফিয়ারা। এছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকায় মাটি কাটছে ওই সব কারবারিরা। এখান থেকে মাটি বোঝাই করে নিয়ে ট্রাক্টর চলে যাচ্ছে নবদ্বীপ সংলগ্ন পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকায়। দূরত্ব বুঝে সেই মাটি ও বালির দাম নির্ধারণ করা হয় বারোশো থেকে পনেরোশো টাকায়। সেই বালি ও মাটি আবার চড়া দামে বিক্রি করছেন ওই সব অসাধু কারবারিরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মালিতা পাড়ার এক বাসিন্দা জানান, দিনের পর দিন নদী তীরবর্তী এলাকার জমি থেকে কাটা মাটি ট্রাক্টারে বোঝাই করে চলে যায় চোখের সামনে দিয়ে। গ্রামবাসীরা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন।
আর এক গ্রামবাসী জানান, ওদের লোকজন গ্রামে ঢোকার মুখে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। পুলিসের গাড়ি ঢুকলেই ওদের কাছে আগেই ফোনে খবর পৌঁছে যায়। তখন মাটি বোঝাই গাড়িগুলি সরিয়ে ফেলে কারবারিরা।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ওসমান মালিতা বলেন, মাটি কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। ওই এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য আরজুবানু খাতুন বলেন, গঙ্গার ধারে যদি এভাবে মাটি কাটে তাহলে তো গ্রামের লোক বাস করতে পারবে না। প্রশাসনকে যথাযথ ভাবে বিষয়টি জানাব। প্রশাসন যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। এই অবৈধ মাটিকাটা বন্ধ করা প্রয়োজন। কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, স্থানীয় বিএলআরও এবং পুলিসকে বিষয়টি জানাচ্ছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
জানা গিয়েছে, নদী তীরবর্তী এলাকার বেশকিছু জমির মালিক তাঁদের জমির মাটি বিক্রি করছেন। সেই সব মাটি কম দামে কিনে নিচ্ছে মাটি মাফিয়ারা। এছাড়া নদী তীরবর্তী এলাকায় মাটি কাটছে ওই সব কারবারিরা। এখান থেকে মাটি বোঝাই করে নিয়ে ট্রাক্টর চলে যাচ্ছে নবদ্বীপ সংলগ্ন পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকায়। দূরত্ব বুঝে সেই মাটি ও বালির দাম নির্ধারণ করা হয় বারোশো থেকে পনেরোশো টাকায়। সেই বালি ও মাটি আবার চড়া দামে বিক্রি করছেন ওই সব অসাধু কারবারিরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মালিতা পাড়ার এক বাসিন্দা জানান, দিনের পর দিন নদী তীরবর্তী এলাকার জমি থেকে কাটা মাটি ট্রাক্টারে বোঝাই করে চলে যায় চোখের সামনে দিয়ে। গ্রামবাসীরা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন।
আর এক গ্রামবাসী জানান, ওদের লোকজন গ্রামে ঢোকার মুখে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। পুলিসের গাড়ি ঢুকলেই ওদের কাছে আগেই ফোনে খবর পৌঁছে যায়। তখন মাটি বোঝাই গাড়িগুলি সরিয়ে ফেলে কারবারিরা।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ওসমান মালিতা বলেন, মাটি কাটার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। ওই এলাকার জেলা পরিষদের সদস্য আরজুবানু খাতুন বলেন, গঙ্গার ধারে যদি এভাবে মাটি কাটে তাহলে তো গ্রামের লোক বাস করতে পারবে না। প্রশাসনকে যথাযথ ভাবে বিষয়টি জানাব। প্রশাসন যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। এই অবৈধ মাটিকাটা বন্ধ করা প্রয়োজন। কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, স্থানীয় বিএলআরও এবং পুলিসকে বিষয়টি জানাচ্ছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।



