Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বোরোর জল নিয়ে অনিশ্চয়তা, বিকল্প চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা

বোরোর জল নিয়ে অনিশ্চয়তা, বিকল্প চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, সিউড়ি: বীরভূমের ময়ূরাক্ষী নদীতে জল নেই। তাই নদী উপকূলবর্তী এলাকায় বোরো চাষের জল দেওয়া হবে কি না তা নিয়ে সংশয় আগে থেকেই ছিল। সেই কারণে এবার বোরো চাষ এই সব নদী উপকূলবর্তী এলাকায় কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু জেলা কৃষিদপ্তরের দাবি, এই সব এলাকায় বিকল্প সেচের ব্যবস্থায় চাষ হবে গতবছরের থেকে বেশি। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এবছর ৯৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করার লক্ষ্য নিয়েছে কৃষিদপ্তর। তারমধ্যে এখন প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩ হাজার হেক্টরে ধান পোঁতার কাজ হয়েছে। বীজতলা তৈরির কাজ আগেই শেষ হয়েছে। সাধারণত এই জেলায় প্রতিবছর প্রায় ৯২হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়ে থাকে। কিন্তু এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তার মাঝে বড় চ্যালেঞ্জ ময়ূরাক্ষী নদীর সেচের জল নিয়ে। মাসখানেক আগে থেকে সিউড়ির তিলপাড়া ব্যারেজে সংস্কারের কাজ চলার কারণে নদীর বেড সম্পূর্ণ জলশূন্য করা হয়েছিল। তাই বোরো চাষের এবার জল দেওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিলেও অবশেষে জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের হস্তক্ষেপে সোমবার ১০ফেব্রুয়ারি থেকে নদীতে ধীরে ধীরে জল ছাড়ার কথা রয়েছে। সেই জলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন বহু চাষি। কৃষিদপ্তরের কর্তাদের দাবি, এবার বোরো চাষের আগে ম্যাসাঞ্জোরে যথেষ্ট পরিমাণ জল মজুত আছে। সেই জল বীরভূমের ময়ূরাক্ষী নদী দিয়ে বয়ে গেলেই চাষিরা জল পাবেন। যদি এই জল পাওয়া যায় তাহলে এবার স্বাভাবিক নিয়মেই চাষ হবে। তাছাড়াও, যদি জল না পাওয়া যায় তাহলে এই নদী উপকূলবর্তী এলাকার কৃষকরা সাবমার্সিবল, কুয়ো ইত্যাদি থেকে মাটির নীচের জল তুলে চাষের কাজে লাগাবেন। অন্যদিকে, এই বোরো চাষ না হওয়ার আশঙ্কা বেশকিছু চাষি বিকল্প চাষ হিসেবে সর্ষে, মুসুর, ছোলা সহ অন্যান্য ডাল জাতীয় ফসল চাষের উদ্যোগ নিয়েছেন। 
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ