সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: এবার মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলির অন্যতম ইস্যু ছিল বীরপাড়া সদরের রেলগেটের যানজট। সেই যানজট কাটাতে এবার উদ্যোগী হয়েছে জেলা পুলিস। তারা ওই রেলগেট দিয়ে ডলোমাইট বোঝাই ডাম্পার ও ট্রাকগুলিকে দিনের বেলার বদলে রাতে চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। সেজন্য জেলা পুলিস ইতিমধ্যেই ডাম্পার ও ট্রাক সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে ডাম্পার ও ট্রাক সংগঠনগুলি জেলা পুলিসের দেওয়া প্রস্তাবে রাজিও হয়েছে।
Advertisement
ডুয়ার্সে ব্যবসার ট্রানজিট পয়েন্ট বীরপাড়ার লংকারোডে থাকা লেভেল ক্রসিং দিয়ে দৈনিক ২৫০টি ডলোমাইট বোঝাই ডাম্পার যাতায়াত করে। ভুটানের পাগলি থেকে ওই ডলোমাইট আনা হয় দলগাঁও রেলস্টেশনে। সেখান থেকে সেই ডলোমাইট প্রয়োজন মতো অন্যান্য রেলস্টেশনে সরবরাহ করা হয়।
ট্রেন চলাচলের সময় ওই লেভেল ক্রসিংয়ের গেট দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকায় গোটা বীরপাড়া সদরের জনজীবন কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। লেভেল ক্রসিংয়ের দুই পাশে ডলোমাইট বোঝাই সারি সারি ডাম্পার ও অন্যান্য গাড়ির লাইনে যানজটে কার্যত দমবন্ধ অবস্থা হয় বাসিন্দাদের। পুলিস দীর্ঘদিনের এই যানজট সমস্যা কাটাতে এবার দিনের বেলার বদলে রাতে ডাম্পার চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।
আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থে বীরপাড়ার ওই যানজট সমস্যা লাঘবে আমরা বদ্ধপরিকর। তারজন্যই দিনের বদলে রাতে ডাম্পারগুলি চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ডাম্পার ও ট্রাক সংগঠনগুলির সঙ্গে আমরা এনিয়ে বৈঠক করেছি। রেলকে কি এনিয়ে প্রস্তাব দেওয়া হবে? এই প্রশ্নে পুলিস সুপার বলেন, রেলকে প্রস্তাব দেওয়ার কোনও বিষয় নেই। এনিয়ে স্থানীয় ডাম্পার মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিকাশ গুরুং বলেন, দিনের বেলয় চার ট্রিপ করে ডলোমাইট আনা সম্ভব হয়। কিন্তু রাতের বেলা দুই ট্রিপের বেশি আনা সম্ভব নয়। তবুও সাধারণ মানুষের স্বার্থে আমরা পুলিসের এই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি।
শুধু যানজট নয়, দলগাঁও রেলস্টেশনে ডলোমাইট সাইডিংয়ের জন্য বীরপাড়ার বাতাসে বিষ ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ। ডলোমাইটের গুঁড়ো ও ধুলোয় এলাকায় অনেকেই কাশি ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই এই ডলোমাইট সাইডিং অন্যত্র সরানোর দাবিতে বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনও চালিয়ে যাচ্ছেন।
যদিও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জলকিশোর শর্মা বলেন, বীরপাড়ার যানজট সমস্যা সমাধানে আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিসের কী ভাবনা আছে বলতে পারব না। তবে দলগাঁও রেল স্টেশনের বদলে মুজনাই রেল স্টেশনে ডলোমাইট সাইডিংয়ের জন্য রেলইয়ার্ড তৈরির কাজ চলছে।
ট্রেন চলাচলের সময় ওই লেভেল ক্রসিংয়ের গেট দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকায় গোটা বীরপাড়া সদরের জনজীবন কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। লেভেল ক্রসিংয়ের দুই পাশে ডলোমাইট বোঝাই সারি সারি ডাম্পার ও অন্যান্য গাড়ির লাইনে যানজটে কার্যত দমবন্ধ অবস্থা হয় বাসিন্দাদের। পুলিস দীর্ঘদিনের এই যানজট সমস্যা কাটাতে এবার দিনের বেলার বদলে রাতে ডাম্পার চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে।
আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, সাধারণ মানুষের স্বার্থে বীরপাড়ার ওই যানজট সমস্যা লাঘবে আমরা বদ্ধপরিকর। তারজন্যই দিনের বদলে রাতে ডাম্পারগুলি চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ডাম্পার ও ট্রাক সংগঠনগুলির সঙ্গে আমরা এনিয়ে বৈঠক করেছি। রেলকে কি এনিয়ে প্রস্তাব দেওয়া হবে? এই প্রশ্নে পুলিস সুপার বলেন, রেলকে প্রস্তাব দেওয়ার কোনও বিষয় নেই। এনিয়ে স্থানীয় ডাম্পার মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিকাশ গুরুং বলেন, দিনের বেলয় চার ট্রিপ করে ডলোমাইট আনা সম্ভব হয়। কিন্তু রাতের বেলা দুই ট্রিপের বেশি আনা সম্ভব নয়। তবুও সাধারণ মানুষের স্বার্থে আমরা পুলিসের এই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি।
শুধু যানজট নয়, দলগাঁও রেলস্টেশনে ডলোমাইট সাইডিংয়ের জন্য বীরপাড়ার বাতাসে বিষ ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ। ডলোমাইটের গুঁড়ো ও ধুলোয় এলাকায় অনেকেই কাশি ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই এই ডলোমাইট সাইডিং অন্যত্র সরানোর দাবিতে বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনও চালিয়ে যাচ্ছেন।
যদিও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জলকিশোর শর্মা বলেন, বীরপাড়ার যানজট সমস্যা সমাধানে আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিসের কী ভাবনা আছে বলতে পারব না। তবে দলগাঁও রেল স্টেশনের বদলে মুজনাই রেল স্টেশনে ডলোমাইট সাইডিংয়ের জন্য রেলইয়ার্ড তৈরির কাজ চলছে।



