সংবাদদাতা মালদহ: স্বাধীনতা দিবসের আগে জেলাজুড়ে বাজেয়াপ্ত বিপুল পরিমাণ মাদক। ইংলিশবাজার থানা এলাকা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কোটি টাকার বেশি মূল্যের ব্রাউন সুগার। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিহারের বাসিন্দা সহ একাধিক জনকে।
সংবাদদাতা মালদহ: স্বাধীনতা দিবসের আগে জেলাজুড়ে বাজেয়াপ্ত বিপুল পরিমাণ মাদক। ইংলিশবাজার থানা এলাকা থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কোটি টাকার বেশি মূল্যের ব্রাউন সুগার। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিহারের বাসিন্দা সহ একাধিক জনকে।
বৃহস্পতিবার মালদহের পুলিস সুপার প্রদীপকুমার যাদব জানিয়েছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১ কেজি ৮০০ গ্রাম ব্রাউন সুগার। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিহারের এক বাসিন্দা সহ মোট চারজনকে। তিনি বলেন, কালিয়াচকের তিন বাসিন্দা মহম্মদ আনিউল ইসলাম, জামিউল হক এবং হাজিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ইংলিশবাজার থানার পুলিস। এরা যথাক্রমে মোজমপুর বালুগ্রাম এবং পিরোজপুর হারুচঙ্কের বাসিন্দা। জামিউল ওই মাদক হাজিকুলের মাধ্যমে আনিউলকে সরবরাহ করেছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিস। রহমত শেখ নামে ব্রাউন সুগারের কাঁচামালের সরবরাহকারী আরেক ব্যক্তিকেও চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ওই ৫০০ গ্রাম ব্রাউন সুগার বিহারের নারিয়ার বাসিন্দা জনৈক রাজীবকে সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের।অন্যদিকে, ইংলিশবাজারের স্টেশন রোড সংলগ্ন একটি হোটেল থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃত বিহারের আরারিয়ার বাসিন্দা আনন্দ রাজের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ব্রাউন সুগার। জেরার মুখে ওই তরুণ পুলিসকে জানিয়েছে, কালিয়াচকের জালালপুরের বাসিন্দা জনৈক মোবারক শেখ তাকে ওই মাদক সরবরাহ করেছিল। ওই মাদক অর্থের বিনিময়ে সে বিহারের ভাগলপুর জেলার সুলতানগঞ্জের বাসিন্দা জনৈক নীতিশ যাদবকে সে জামালপুর স্টেশনে হস্তান্তর করত।যে হোটেল থেকে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার কর্তৃপক্ষের তরফে ইংলিশবাজার পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর গৌতম দাস বলেন, বোর্ডারদের সচিত্র পরিচয়পত্র পরীক্ষা করেই ঘর দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের লাগেজ পরীক্ষা করা হয় না। যাকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে, তার শাস্তি চাই। এরপর থেকে হোটেলে কাউকে ঘর দেওয়ার আগে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।