সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: দোতলায় ঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দাদা ও ভাইয়ের মধ্যে বচসা বাধে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দাদা ও দুই ভাইপোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল ভাইয়ের বিরুদ্ধে। রবিবার সকালের ঘটনায় রঘুনাথগঞ্জের নবাবজাইগীর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে জখম হন। দাদা ও ভাইপোরা মিলে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছে অভিযুক্ত ভাই। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। অভিযুক্ত ভাইয়ের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবে বলে জানিয়েছে আক্রান্তের পরিবারের সমস্যরা। এ প্রসঙ্গে জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল। কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে দাদা ও ভাইয়ের মধ্যে বাড়িতে একটি শৌচালয় নির্মাণ নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। সালিসি সভায় সকলের উপস্থিতিতে তা মিটমাটও হয়ে যায়। ভাই শৌচালয় না করে এদিন দাদার ঘরের উপরে দোতলায় একটি ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করে। তাতে দাদা, বউদি ও ভাইপোরা বাধা দেন। ভাই সকলের বাধা অমান্য করেই ঘর নির্মাণের কাজ চালিয়ে যায়। নির্মীয়মাণ কাজ ভেঙে দেওয়ার কথা বললে দাদা ভাইয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। তখনই ভাই ধারালো অস্ত্র দাদার পিঠে ঢুকিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বাবাকে বাঁচাতে গেলে দুই ভাইপোকেও কুপিয়ে দেয়। দাদা ও ভাইপোরা মিলে লাঠি দিয়ে মেরে অভিযুক্তেরও মাথা ফাটিয়ে দেয় বলে পাল্টা দাবি করেছে অভিযুক্ত। বড়শিমুল গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান আব্দুল হক বলেন, নিজেদের মধ্যে ঝামেলা, আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নিতে বলব।