Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ভগ্নপ্রায় বাঁশের সাঁকো, সমস্যায় এলাকাবাসী

দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে পাথরপ্রতিমার দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েত সংযোগকারী বাঁশের সাঁকো।

ভগ্নপ্রায় বাঁশের সাঁকো, সমস্যায় এলাকাবাসী
  • ২৮ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে পাথরপ্রতিমার দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েত সংযোগকারী বাঁশের সাঁকো। দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় দশটি বুথের কয়েক হাজার বাসিন্দা রোজ এই সাঁকো দিয়েই নদী পারাপার করেন। দুর্বাচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণপুর ও গোপালনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর গোপালনগর এলাকার সীমানা ধরে বয়ে গিয়েছে সেলেমারি নদী। অতীতে গ্রামবাসীরা নিজেরাই খরচ করে এই নদীর উপর একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছিলেন। কিন্তু পরে সেটি নষ্ট হয়ে যায়। এরপর বছর দশেক আগে গ্রামবাসীরা ফের নিজেরা অর্থ ব্যয় করে কিছুটা দূরে নতুন করে আরও একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। কিন্তু বছর চারেক হল, সেই বাঁশের সাঁকোটিরও ভগ্নপ্রায় দশা। প্রায় ১০০ ফুট লম্বা ও চার ফুট চওড়া এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে এখন ঠিক মতো পারাপার করা যায় না। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এটি পারাপারের সময় অনেকে নদীতে পড়ে গিয়েছেন। প্রায়ই ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি।

Advertisement

এবিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা টুটুল মাইতি বলেন, এই সাঁকোটির উপর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ নির্ভরশীল। উত্তর গোপালনগর এলাকার কোনও বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে এই সাঁকো পেরিয়ে কাকদ্বীপ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এছাড়াও প্রাথমিক ও হাইস্কুলের প্রচুর ছাত্রছাত্রী এই সাঁকোর উপর দিয়েই নদী পারাপার করে। বর্তমান এটি খুবই বিপজ্জনক অবস্থায়। মাঝখানের অংশে বাঁশ ভেঙে গিয়েছে। এমনকী সাঁকোর বাঁশের হাতলও ভাঙা। রাতে এর উপর দিয়ে হাঁটা যায় না। কোটালে জোয়ারের সময় আবার এ’টি নদীর জলে ডুবে যায়। তখন পারাপার করাই যায় না। এলাকাবাসীরা খুবই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। স্থায়ীভাবে সেতু তৈরি করা না হলে, আগামী দিনে খুবই সমস্যা হবে।
পাথরপ্রতিমার বিধায়ক সমীর কুমার জানা বলেন, ওই এলাকায় স্থায়ীভাবে সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে আলোচনাও করা হয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ