নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাঘিনি জিনাতের জেলা ছেড়ে যাওয়া এখনও এক পক্ষকাল পার হয়নি। তারমধ্যেই ফের বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে বাঘের আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বাঁকুড়া দক্ষিণ বনবিভাগের ঝিলিমিলি রেঞ্জের সীমানা ঘেঁষা এলাকায় বাঘের দেখা পাওয়া গিয়েছে বলে জঙ্গলে কাঠ সংগ্রহে যাওয়া লোকজন দাবি করেছে। জিনাতের মতোই বেলপাহাড়ী থেকে যেকোনও সময় ‘নতুন অতিথি’ জেলায় ঢুকে পড়তে পারে বলে বনবিভাগের কর্তারাও আশঙ্কা করছেন। ফলে বেলপাহাড়ী ঘেঁষা রানিবাঁধ ও বারিকুল থানা এলাকার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন। সন্ধ্যা নামলেই দরজায় খিল এঁটে তাঁরা চুপচাপ বসে থাকছেন। জঙ্গলের মধ্যে থাকা পাড়াগুলিতে অনেকের রাতের ঘুম কার্যত উবে গিয়েছে।
Advertisement
বনদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, বাঘের আগমনের বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে সেটি জিনাতের মতো রয়েল বেঙ্গল কি না তা জানা যায়নি। জঙ্গলমহলে চিতা বাঘ রয়েছে। ফলে নিশ্চিত করে আমরা এখনই কিছু বলতে পারছি না।
বারিকুলের তপন পাল, সোনামণি মণ্ডল বলেন, জিনাত ধরা পড়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছিলাম। নতুন করে বাঘের আগমনের খবর কানে আসার পর সেই স্বস্তি উধাও হয়ে গিয়েছে। বেলপাহাড়ীর সঙ্গে ঝিলিমিলি, বারিকুলের জঙ্গল জুড়ে রয়েছে। জঙ্গলের মধ্যে বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামের সীমানা আলাদা করে বোঝা যায় না। বাঘ তো আর সীমানা মানে না। যে কোনও সময় পাঁচ-ছ’কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে আমাদের গ্রামের আশপাশে চলে আসতেই পারে। বাঘটি পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছে। তা যথেষ্ট বড়। ফলে সেটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার বলেই সকলে মনে করছেন।
বারিকুলের তপন পাল, সোনামণি মণ্ডল বলেন, জিনাত ধরা পড়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছিলাম। নতুন করে বাঘের আগমনের খবর কানে আসার পর সেই স্বস্তি উধাও হয়ে গিয়েছে। বেলপাহাড়ীর সঙ্গে ঝিলিমিলি, বারিকুলের জঙ্গল জুড়ে রয়েছে। জঙ্গলের মধ্যে বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রামের সীমানা আলাদা করে বোঝা যায় না। বাঘ তো আর সীমানা মানে না। যে কোনও সময় পাঁচ-ছ’কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে আমাদের গ্রামের আশপাশে চলে আসতেই পারে। বাঘটি পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছে। তা যথেষ্ট বড়। ফলে সেটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার বলেই সকলে মনে করছেন।



