নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহে নজরদারিতে চালু হবে অ্যাপ। তা নিয়ে মাতামাতি শুরু হলেও শহরে বহু রাস্তার ধারে দিনের পর দিন ডাঁই হয়ে পড়ে থাকছে আবর্জনা, তা নিয়ে হুঁশ নেই জলপাইগুড়ি পুরসভার।
Advertisement
অভিযোগ, শহরে যত্রতত্র জঞ্জাল ফেলা যাবে না কিংবা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাস্তার ধারে জঞ্জাল ফেললে মোটা টাকা জরিমানা করা হবে বলে ব্যানার ঝুলিয়েই দায় সেরেছে পুর কর্তৃপক্ষ। কোনও নজরদারির ব্যবস্থা নেই। ফলে যেখানে জঞ্জাল ফেললে এক হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বলে পুরসভার তরফে ব্যানার টাঙানো হয়েছে, সেই নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে দিব্যি সেখানে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।
জলপাইগুড়ি শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা মোহন বাগান সরণী। কিন্তু ওই রাস্তার দু’ধার যেন এখন অলিখিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। গৌড়ীয় মঠ থেকে স্পোর্টস কমপ্লেক্সের দিকে যেতে করলা নদীর পাড়ে আগে রাস্তার ডানদিকে বর্জ্য ফেলা হতো। এখন ওই রাস্তার বাঁদিকেও একই ছবি। সবচেয়ে বড় বিষয়, আবর্জনা ফেলা যাবে না বলে পুরসভার তরফে ঠিক যেখানে ব্যানার টাঙানো হয়েছে, তার নীচেই আবর্জনার স্তূপ। দিনের পর দিন সেখানে আবর্জনা পড়ে থাকলেও তা পরিষ্কার করা হয় না বলে অভিযোগ।
শহরের এই পরিস্থিতি নিয়ে অবশ্য খুব একটা মাথা ঘামাতে নারাজ পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল। তিনি বলেন, এটা তো সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব। বর্জ্য ফেলা যাবে না বলে পুরসভার তরফে একাধিক ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তারপরও যদি কেউ সেখানে আবর্জনা ফেলেন, আমরা কী করতে পারি? তাঁর দাবি, এর আগেও ওই এলাকায় আমরা জমা বর্জ্য সাফাই করেছি। রাতের অন্ধকারে সেখানে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। কে বা কারা সেখানে বর্জ্য ফেলছে, আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করব।
বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহে নজরদারিতে অ্যাপ চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরের মানুষ। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা জঞ্জাল সাফাইয়ে বিশেষ অভিযানে নামছি। ১৫ দিন ধরে অভিযান চলবে।
মোহন বাগান সরণিতে রাস্তার বাঁ দিকে যেখানে বর্জ্যের স্তূপ হয়ে রয়েছে, সেটি ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে। ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার অম্লান মুন্সির সাফাই, রাস্তার ধারে কারা বর্জ্য ফেলছেন, তা ধরতে পুরসভাকেই নজরদারির ব্যবস্থা করতে হবে।
জলপাইগুড়ি শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা মোহন বাগান সরণী। কিন্তু ওই রাস্তার দু’ধার যেন এখন অলিখিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। গৌড়ীয় মঠ থেকে স্পোর্টস কমপ্লেক্সের দিকে যেতে করলা নদীর পাড়ে আগে রাস্তার ডানদিকে বর্জ্য ফেলা হতো। এখন ওই রাস্তার বাঁদিকেও একই ছবি। সবচেয়ে বড় বিষয়, আবর্জনা ফেলা যাবে না বলে পুরসভার তরফে ঠিক যেখানে ব্যানার টাঙানো হয়েছে, তার নীচেই আবর্জনার স্তূপ। দিনের পর দিন সেখানে আবর্জনা পড়ে থাকলেও তা পরিষ্কার করা হয় না বলে অভিযোগ।
শহরের এই পরিস্থিতি নিয়ে অবশ্য খুব একটা মাথা ঘামাতে নারাজ পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল। তিনি বলেন, এটা তো সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব। বর্জ্য ফেলা যাবে না বলে পুরসভার তরফে একাধিক ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তারপরও যদি কেউ সেখানে আবর্জনা ফেলেন, আমরা কী করতে পারি? তাঁর দাবি, এর আগেও ওই এলাকায় আমরা জমা বর্জ্য সাফাই করেছি। রাতের অন্ধকারে সেখানে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। কে বা কারা সেখানে বর্জ্য ফেলছে, আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করব।
বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহে নজরদারিতে অ্যাপ চালুর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরের মানুষ। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা জঞ্জাল সাফাইয়ে বিশেষ অভিযানে নামছি। ১৫ দিন ধরে অভিযান চলবে।
মোহন বাগান সরণিতে রাস্তার বাঁ দিকে যেখানে বর্জ্যের স্তূপ হয়ে রয়েছে, সেটি ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে পড়ে। ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার অম্লান মুন্সির সাফাই, রাস্তার ধারে কারা বর্জ্য ফেলছেন, তা ধরতে পুরসভাকেই নজরদারির ব্যবস্থা করতে হবে।



