


সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘কিসসা কোর্ট কাছেহরি কা’। সে ছবিতে এক আইনজীবির চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা ব্রিজেন্দ্র কালা। এক সাক্ষাৎকারে নানা অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন অভিনেতা।
ইতিবাচক এবং নেতিবাচক
সাধারণত ইতিবাচক চরিত্রে বেশি দেখা যায় ব্রিজেন্দ্রকে। এই ছবিতে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সে প্রসঙ্গে অভিনেতা বলেন, ‘আমরা তো অনেক খবর দেখি, নানা ঘটনা শুনি। সেখান থেকেই কিছু ধারণা তৈরি হয়। এই ছবিতে আমার চরিত্রটা একটু ধূসর। একজন খুনের অভিযুক্তকে বাঁচানোর জন্য লড়াই করছে সে। তাই চরিত্রটাকে একটু নেগেটিভ বা ধূসর ছায়া দিতে হয়েছে। আমি সাধারণত ইতিবাচক চরিত্র বেশি করেছি, তাই এখানে নেতিবাচক চরিত্রের জন্য আমাকে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হয়েছে।’
থিয়েটার মানুষ গড়ে
উত্তরাখণ্ডে জন্ম হলেও ব্রিজেন্দ্রর বড় হওয়া মথুরায়। তাঁর বাবা ছিলেন ভেটেরিনারি কলেজে কর্মরত। মথুরাতেই থিয়েটারের সঙ্গে ব্রিজেন্দ্রর পরিচয়। ‘আমি সবসময় নতুন অভিনেতাদের বলি, এই পেশায় কিছু করতে চাইলে আগে থিয়েটার করা উচিত। থিয়েটারই আমাকে তৈরি করেছে। অভিনেতার পাশাপাশি মানুষও গড়ে মঞ্চ’, বললেন তিনি।
লেখালেখি থেকে অভিনয়
ছোট থেকে অভিনয়ের পাশাপাশি লেখার শখ ছিল ব্রিজেন্দ্রর। তবে এখনও লেখার কাজ সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অভিনেতা বলেন, ‘লিখতাম, অভিনয় আর পরিচালনাও করতাম। এই তিনটে জিনিসই একসঙ্গে চলত আমার জীবনে। আমি তখনই ভাবতাম, যদি কোনো একটা ক্ষেত্রে সাফল্য পাই, তাহলে সেটাকেই ধরে এগিয়ে যাব। শেষ পর্যন্ত অভিনয়ই আমার হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে গেল। এখন একটি পারিবারিক ছবির গল্প লিখেছি, ছবির নাম ‘পারিবারিক মনোরঞ্জন’। এই ছবিতে পঙ্কজ ত্রিপাঠি, অদিতি রাও হায়দারি অভিনয় করছেন। ছবিটি পরিচালনা করছেন বরুণ শর্মা।’
দেরিতে সুযোগ
দীর্ঘদিন কাজ করলেও গত কয়েক বছরে ব্রিজেন্দ্রর পরিচিতি অনেক বেড়েছে। এনিয়ে আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ‘আগে সুযোগ পেলে হয়তো ভালোই লাগত। কিন্তু প্রত্যেক জিনিসের একটা সময় থাকে। একটা দৃশ্য, দুটো দৃশ্য, তিনটে দৃশ্য, ছোটো ছোটো দৃশ্য করে ধীরে ধীরে আমি এগিয়েছি। আর এভাবেই এগতে এগতে সুযোগ পেয়েছি।’
নিজের সঙ্গে লড়াই
কেরিয়ারের শুরু থেকে বলিউডে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই লড়ে এসেছেন ব্রিজেন্দ্র। বর্তমানে তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী? একটু ভেবে তিনি বলেন, ‘নিজেকে একটু আলাদা করে তুলে ধরতে চাই। এখন অনেক অভিনেতা এসেছেন, অনেক বিকল্প আছে। তাই নিজের কাজটা ভালোভাবে করে যেতে হবে। সত্যি বলতে এখন নিজের সঙ্গে নিজের লড়াই।’
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই