নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: আগামী শুক্রবার কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে রাস উৎসবের সূচনা। কোচবিহারের জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা রাত ৮টায় রাসচক্র ঘুরিয়ে রাস উৎসবের সূচনা করবেন। রাত সাড়ে ৮টায় মন্দিরের গেট জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এই উপলক্ষ্যে এখন মদনমোহন মন্দিরে সাজো সাজো রব। এরই মধ্যে দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে থাকা বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা পুনরায় চালু করবে। রাস উৎসবের আগেই বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা চালু করা হবে। ছয়-সাত বছর আগে এই ফোয়ারাটি বসানো হয়েছিল। কিন্তু তারপর কখনই ধারাবাহিকভাবে তা চলেনি। এখনও পর্যন্ত স্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। ফলে ডিজেল দিয়েই এটি আগে সাময়িকভাবে চালানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বিদ্যুৎ দপ্তরে প্রয়োজনীয় টাকা জমা দিয়ে ফোয়ারার স্থায়ী সংযোগ নেবে।
Advertisement
রাসমেলা উপলক্ষ্যে মদনমোহন মন্দিরকে আলো দিয়ে সাজানো হয়। সামনের রাস্তায়, পাশের রাসমেলা ময়দানে জ্বলে ওঠে হাজার হাজার আলো। এরই মধ্যে বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা চালু হলে এলাকার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের সচিব কৃষ্ণগোপাল ধারা সোমবার বলেন, রাস উৎসব উপলক্ষ্যে মদনমোহন মন্দিরে সমস্ত রকমের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে। দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের উদ্যোগে বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা পুনরায় চালু হতে চলেছে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুসারে সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরের কাছে আড়াই লক্ষ টাকা এরমধ্যেই জমা দেওয়া হবে। এরপরেই রাস উৎসবের সময় বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা প্রতিদিন সন্ধ্যায় চালানো হবে। পরবর্তী সময়ে সপ্তাহে ক’দিন করে এই ফোয়ারা চলবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেই বিদ্যুতের বিল দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ড দেবে।
মদনমোহন মন্দিরের ঠিক উল্টো দিকে থাকা বৈরাগী দিঘির সৌন্দর্যায়নের কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। মন্দিরের সামনের রাস্তায় ফুটপাত করা হয়েছে। ফলে এলাকাটি অনেকটাই ঝাঁ চকচকে হয়ে উঠেছে এখন।
এরই পাশে থাকা বৈরাগী দিঘির ফোয়ারার জায়গাটি কিন্তু রাতের বেলা কিছুটা নিষ্প্রভই থেকে যায়। এবার রাসমেলার সময় সেখানে ফোয়ারা ও তার সঙ্গে উজ্জ্বল আলো জ্বললে সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। দর্শনার্থীদের কাছেও এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। তবে বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা পুনরায় চালুর জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কোচবিহার পুরসভা অবশ্য তির্যক মন্তব্য করেছে।
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, বৈরাগী দিঘি দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের নয়। হেরিটেজ দিঘি। সেটির কাজ শেষ করে পুরসভার হাতে হস্তান্তর করার কথা। আগে তো নীতিটা ঠিক হবে।
মদনমোহন মন্দিরের ঠিক উল্টো দিকে থাকা বৈরাগী দিঘির সৌন্দর্যায়নের কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। মন্দিরের সামনের রাস্তায় ফুটপাত করা হয়েছে। ফলে এলাকাটি অনেকটাই ঝাঁ চকচকে হয়ে উঠেছে এখন।
এরই পাশে থাকা বৈরাগী দিঘির ফোয়ারার জায়গাটি কিন্তু রাতের বেলা কিছুটা নিষ্প্রভই থেকে যায়। এবার রাসমেলার সময় সেখানে ফোয়ারা ও তার সঙ্গে উজ্জ্বল আলো জ্বললে সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। দর্শনার্থীদের কাছেও এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। তবে বৈরাগী দিঘির ফোয়ারা পুনরায় চালুর জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কোচবিহার পুরসভা অবশ্য তির্যক মন্তব্য করেছে।
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, বৈরাগী দিঘি দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের নয়। হেরিটেজ দিঘি। সেটির কাজ শেষ করে পুরসভার হাতে হস্তান্তর করার কথা। আগে তো নীতিটা ঠিক হবে।



