নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বর্ধিত হারে পারিশ্রমিক পান না বিড়ি শ্রমিকরা। নেই পিএফও। যা নিয়ে বিপাকে পড়ছেন জেলার প্রায় দেড় লাখ বিড়ি শ্রমিক। এমনই একাধিক সমস্যার সমাধান চেয়ে সোমবার জেলার ডেপুটি লেবার কমিশনারের দ্বারস্থ হলেন আইএনটিটিইউসির নেতা কর্মীরা। মূলত সাত দফা দাবি তাঁরা তুলে ধরেছেন শ্রমদপ্তরের কাছে। যার মধ্যে অন্যতম বিড়ি শ্রমিকদের বর্ধিত হারে পারিশ্রমিক ও তাঁদের পিএফের আওতায় আনা। বিড়ি শিল্পে মুন্সিপ্রথা সরিয়ে সুপারভাইজার পদ সৃষ্টি করা। সঙ্গে এলাকা ভিত্তিক ইউনিট সেন্টার করে বিড়ি শ্রমিকদের বিড়ির পাতা ও মশলা সরবরাহ করা। তাঁদের সন্তানদের জন্য স্কুল তৈরি করা ও শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয় আইএনটিটিইউসির তরফে।
Advertisement
অন্যদিকে জেলার ইটভাটার শ্রমিকদেরও পিএফের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জোরাল হয় দপ্তরের সামনে। উত্তরবঙ্গের আশপাশের জেলায় যেভাবে চা বাগান এলাকায় আবাস ও চিকিৎসা কেন্দ্র চালু হচ্ছে। এখানেও সেই সুবিধার দাবি। এছাড়াও পিএইচইতে নিযুক্ত ঠিকা শ্রমিকদের পিএফে সংযুক্ত ও স্থায়ীকরণ করারও দাবি তাঁদের। আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি শেখর দাস বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের ইটভাটাগুলি কাজ করানো হচ্ছে। তাঁরা কোনও সুবিধা পায় না। জেলার চা বাগানের শ্রমিকদের ও পিএফ থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। বিড়ি শ্রমিকদের বর্ধিত হারে পরিশ্রমিক পিএফ সহ বিভিন্ন বিষয়ে বলা হয়েছে। যেগুলি বেশিরভাগটাই কেন্দ্র সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন। বিড়ি মালিকদের ডেকে বৈঠক করা হবে বলে আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন ডেপুটি লেবার কমিশনার। এদিন শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ডেপুটি লেবার কমিশনার রথীন সেন বলেন, একটা দাবিপত্র আমার কাছে জমা পড়েছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।



