সুমন তেওয়ারি, দুর্গাপুর: বর্ধিত হারে পেনশন পাবেন না ডিএসপির শ্রমিকরা। এমনটাই জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন(ইপিএফও)। সম্প্রতি, ডিএসপির বেশকিছু শ্রমিক বর্ধিত পেনশন পেতে আবেদন করেছিলেন। সবারই আবেদন খারিজ করে দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাতেই প্রকাশ্যে এসে পড়ে এহেন বঞ্চনার বিষয়টি। কেন বাতিল করা হয়েছে, তারও একটি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে ইপিএফও’র তরফে। আর তা করতে গিয়ে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিম-১৯৯৫’র একাধিক প্যারাগ্রাফ, অ্যামেন্ডমেন্ট উল্লেখ করেছে সংস্থার দুর্গাপুর অফিস।
Advertisement
স্বাভাবিকভাবেই ইপিএফও’র সিদ্ধান্তে পেনশন বৃদ্ধির স্বপ্ন দেখা শ্রমিকমহল হতাশ। বর্ধিত পেনশন স্কিমের আওতায় এলে এক একজন শ্রমিক ১৫ হাজার টাকারও বেশি পেনশন পেতেন। এখন সেখানে পান মাত্র ৪ থেকে পাঁচ হাজার টাকা। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে আইএনটিটিইউসি ও আইএনটিইউসি। তাদের অভিযোগ, বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার গরিব মানুষ, কৃষক আর শ্রমিকদের প্রতি সবচেয়ে বেশি বঞ্চনা করে। এটা তারই একটি উদাহরণ।
অন্যদিকে ইপিএফও সূত্রে জানানো হয়েছে, ডিএসপির শ্রমিকদের জন্য পিএফ ট্রাস্টি বোর্ড রয়েছে। সেই ট্রাস্টি বোর্ডের আইনই বর্ধিত পেনশন দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল অন্তরায়। যদিও এই দাবি মানতে চাননি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা। তাঁদের যুক্তি, আগে ডিএসপির শ্রমিকরা বর্ধিত হারে পেনশন পেয়েছেন। এখন নিয়ম দেখিয়ে তা আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। এমনকী, অবসরপ্রাপ্ত যে সব শ্রমিক বর্ধিত হারে পেনশন পাচ্ছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি, ডিএসপির ৪৮৫ জন শ্রমিক বর্ধিত হারে পেনশন পেতে ইপিএফও’র কাছে আবেদন রাখেন। সেইসব আবেদনে সুপারিশ করে চিঠি দেয় ডিএসপির পিএফ ট্রাস্টও। ২২ ফেব্রুয়ারি তারা সেই চিঠি পাঠিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। দুর্গাপুরের রিজিওন্যাল পিএফ কমিশনার ২ সুধীর রঞ্জন চিঠি পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করে শুক্রবার বলেন, ডিএসপির জেনারেল ম্যানেজার (ফিনান্স অ্যাণ্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)কে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তার প্রতিলিপি প্রত্যেক আবেদনকারীকেও দেওয়া হয়। কিন্তু, একাধিক যুক্তি দেখিয়ে শ্রমিকদের বর্ধিত পেনশন পাওয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। শ্রমিক মহলের প্রশ্ন, আইনের গেরো থাকলে আগে শ্রমিকরা কী করে বর্ধিত পেনশন পেতেন?
আইএনটিটিইউসি নেতা স্নেহাশিস ঘোষ বলেন, বিজেপি মুখে শ্রমিক দরদী হলেও শ্রমিকদের বঞ্চিত করাই ওদের লক্ষ্য। আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিতের বক্তব্য,অনৈতিকভাবে বর্ধিত পেনশন পাওয়ার অযোগ্য বলা হয়েছে।
রিজিওন্যাল পিএফ কমিশনার ২ সুধীর রঞ্জন জানিয়েছেন,শ্রমিকদের আবেদনের ভিত্তিতে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ট্রাস্টি বোর্ডের সব নথি যাচাই করা হয়। ট্রাস্টি বোর্ডের নিয়মে বর্ধিত পেনশন পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। বিএমএস নেতা তথা ডিএসপি পিএফ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মানস চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা ডিএসপি কর্তৃপক্ষর সঙ্গেও আলোচনা করেছি। এখনই বর্ধিত পেনশন পাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ হয়েছে বলে শোরগোল ফেলে দেওয়ার সময় আসেনি। অন্যদিকে ইপিএফও সূত্রে জানানো হয়েছে, ডিএসপির শ্রমিকদের জন্য পিএফ ট্রাস্টি বোর্ড রয়েছে। সেই ট্রাস্টি বোর্ডের আইনই বর্ধিত পেনশন দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল অন্তরায়। যদিও এই দাবি মানতে চাননি ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা। তাঁদের যুক্তি, আগে ডিএসপির শ্রমিকরা বর্ধিত হারে পেনশন পেয়েছেন। এখন নিয়ম দেখিয়ে তা আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। এমনকী, অবসরপ্রাপ্ত যে সব শ্রমিক বর্ধিত হারে পেনশন পাচ্ছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি, ডিএসপির ৪৮৫ জন শ্রমিক বর্ধিত হারে পেনশন পেতে ইপিএফও’র কাছে আবেদন রাখেন। সেইসব আবেদনে সুপারিশ করে চিঠি দেয় ডিএসপির পিএফ ট্রাস্টও। ২২ ফেব্রুয়ারি তারা সেই চিঠি পাঠিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। দুর্গাপুরের রিজিওন্যাল পিএফ কমিশনার ২ সুধীর রঞ্জন চিঠি পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করে শুক্রবার বলেন, ডিএসপির জেনারেল ম্যানেজার (ফিনান্স অ্যাণ্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন)কে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। তার প্রতিলিপি প্রত্যেক আবেদনকারীকেও দেওয়া হয়। কিন্তু, একাধিক যুক্তি দেখিয়ে শ্রমিকদের বর্ধিত পেনশন পাওয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। শ্রমিক মহলের প্রশ্ন, আইনের গেরো থাকলে আগে শ্রমিকরা কী করে বর্ধিত পেনশন পেতেন?
আইএনটিটিইউসি নেতা স্নেহাশিস ঘোষ বলেন, বিজেপি মুখে শ্রমিক দরদী হলেও শ্রমিকদের বঞ্চিত করাই ওদের লক্ষ্য। আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিতের বক্তব্য,অনৈতিকভাবে বর্ধিত পেনশন পাওয়ার অযোগ্য বলা হয়েছে।



