সংবাদদাতা, বর্ধমান: বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগরে এক কিশোরের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম অয়ন বিশ্বাস(১৭)। রবিবার সকালে ঘরে সিলিং ফ্যানের হুকে শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। উদ্ধার করে তাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সে আত্মঘাতী হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান। তার আত্মহত্যার কারণ নিয়ে ধন্দে পরিবারের লোকজন।
Advertisement
মেমারিতে কীটনাশক খেয়ে যুবক আত্মঘাতী: মেমারি থানার গন্তারে কীটনাশক খেয়ে এক যুবক আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতের নাম প্রদীপ মুর্মু(২১)। দিনকয়েক আগে বাইরে থেকে কীটনাশক খেয়ে বাড়ি ফেরেন তিনি। পরিবারের লোকজন বুঝতে পেরে তাঁকে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। রবিবার ভোরে তিনি মারা যান।
রায়নায় যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় স্ত্রী সহ ধৃত ৩: রায়না থানার বিদ্যানিধি গ্রামে যুবকের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনায় স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম সুকুমার ক্ষেত্রপাল, টুটুল ক্ষেত্রপাল ও মেঘা ক্ষেত্রপাল। বিদ্যানিধি গ্রামেই তাদের বাড়ি। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস ন’য়েক আগে বিদ্যানিধি গ্রামের সুরেশ মাঝির সঙ্গে মেঘার বিয়ে হয়েছিল। মাসখানেক আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সাংসারিক বিষয়ে অশান্তি হয়। এরপরই বাপেরবাড়িতে ফিরে যায় মেঘা। স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে কয়েকবার শ্বশুরবাড়িতে যায় সুরেশ। কিন্তু, স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে আসতে চায়নি। ঘটনার আগেরদিন স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান সুরেশ। সেখানে তাঁকে গালিগালাজ ও অপমান করা হয়। শনিবার ভোরে বাড়িতে গলায় গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান পরিবারের লোকজন। মহেশবাটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রায়নায় যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় স্ত্রী সহ ধৃত ৩: রায়না থানার বিদ্যানিধি গ্রামে যুবকের আত্মঘাতী হওয়ার ঘটনায় স্ত্রী, শ্বশুর ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম সুকুমার ক্ষেত্রপাল, টুটুল ক্ষেত্রপাল ও মেঘা ক্ষেত্রপাল। বিদ্যানিধি গ্রামেই তাদের বাড়ি। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস ন’য়েক আগে বিদ্যানিধি গ্রামের সুরেশ মাঝির সঙ্গে মেঘার বিয়ে হয়েছিল। মাসখানেক আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সাংসারিক বিষয়ে অশান্তি হয়। এরপরই বাপেরবাড়িতে ফিরে যায় মেঘা। স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে কয়েকবার শ্বশুরবাড়িতে যায় সুরেশ। কিন্তু, স্ত্রী শ্বশুরবাড়িতে আসতে চায়নি। ঘটনার আগেরদিন স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান সুরেশ। সেখানে তাঁকে গালিগালাজ ও অপমান করা হয়। শনিবার ভোরে বাড়িতে গলায় গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পান পরিবারের লোকজন। মহেশবাটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।



