নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: জাল ওষুধের কারবার বর্ধমানেও শুরু হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামল প্রশাসন। অসম থেকে এরাজ্যে নকল ওষুধ ঢোকার খবর পেয়ে আধিকারিকরা তৎপর হয়েছেন। এক আধিকারিক বলেন, আসল এবং নকল ওষুধের ফারাক সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে বোঝা দুঃসাধ্য। নকল ওষুধের পাতাও হুবহু আসলের মতোই তৈরি হয়। বিশেষ একটি স্ক্যানারের মাধ্যমে তা বোঝা যায়। এক বছর আগে বর্ধমান শহরে সরকারি ওষুধ পাচার চক্রের হদিশ পেয়েছিল পুলিস। সেই ওষুধ খোলা বাজারে কম দামে বিক্রি হতো। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে প্রশাসন জানতে পেরেছে, জাল ওষুধ কারবারিদের ফাঁদ এই শহরেও ছড়িয়ে রয়েছে। ভিনরাজ্য থেকে ওষুধ কিনে তারা বিভিন্ন জায়গায় তা বিক্রি করছে। দামে বিপুল ছাড় দিয়ে ওই ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।
Advertisement
জেলার বাসিন্দাদের দাবি, ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তরের নজরদারির অভাব রয়েছে। কয়েকদিন আগে লক্ষ্মীপুর মাঠে পুলিস একটি নকল নার্সিংহোমের হদিশ পেয়েছিল। দু’জন গ্রেপ্তারও হয়। তাদের ওই এলাকাতেই একটি ওষুধের দোকান রয়েছে। পুলিসের জেরায় তারা কোনও নথি দেখাতে পারেনি। সেখানে আসল না নকল ওষুধ বিক্রি হয় তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তর সেখানে গিয়ে কোনও নথি দেখারও প্রয়োজনীয়তা বোধ করেনি। ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তরের আধিকারিক মানস চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখব। তবে আমাদের অভিযান চলে। জাল ওষুধের হদিশ এখনও পাইনি।
এক আধিকারিক বলেন, একটি চক্র জেলায় কাজ করছে বলে কিছুদিন আগেই খবর এসেছে। চক্রটির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। তারা কোন কোন জায়গায় নকল ওষুধ বিক্রি করছে সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাল ওষুধ খাওয়া হলে অসুখ সারবে না। উল্টে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। আসলে নকল ওষুধ রোগীরা চিহ্নিত করতে পারেন না। দিনের পর দিন কোনও ওষুধ কাজ না করলে তাঁদের সন্দেহ হয়। কিন্তু চ্যালেঞ্জ করতে পারেন না। নকল ওষুধ ড্রাগ কট্রোল দপ্তরের আধিকারিকরাই চিহ্নিত করতে পারেন। কিন্তু তাঁদেরও উদ্যোগের অভাব রয়েছে। কোনও বড় ওষুধের দোকানে গিয়ে তাঁদেরকে আসল নকল ওষুধ পরীক্ষা করতে ইদানীং দেখা যায়নি। সেটা হলে কোঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওষুধের উপর নজরদারি চালানোর জন্য ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তরে দু’টি ভাগ রয়েছে। একটি অংশ ওষুধ তৈরির বিষয়টি খতিয়ে দেখে। অন্য অংশ দোকানে ওষুধ বিক্রির বিষয়টি দেখে। নকল ওষুধ খুঁজে বের করার দায়িত্ব তাঁদের। তারজন্য আলাদা আধিকারিকও রয়েছেন। কিন্তু তিনি পূর্ত ভবনেই বেশি সময় কাটান বলে অভিযোগ।
এক আধিকারিক বলেন, একটি চক্র জেলায় কাজ করছে বলে কিছুদিন আগেই খবর এসেছে। চক্রটির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। তারা কোন কোন জায়গায় নকল ওষুধ বিক্রি করছে সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাল ওষুধ খাওয়া হলে অসুখ সারবে না। উল্টে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। আসলে নকল ওষুধ রোগীরা চিহ্নিত করতে পারেন না। দিনের পর দিন কোনও ওষুধ কাজ না করলে তাঁদের সন্দেহ হয়। কিন্তু চ্যালেঞ্জ করতে পারেন না। নকল ওষুধ ড্রাগ কট্রোল দপ্তরের আধিকারিকরাই চিহ্নিত করতে পারেন। কিন্তু তাঁদেরও উদ্যোগের অভাব রয়েছে। কোনও বড় ওষুধের দোকানে গিয়ে তাঁদেরকে আসল নকল ওষুধ পরীক্ষা করতে ইদানীং দেখা যায়নি। সেটা হলে কোঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওষুধের উপর নজরদারি চালানোর জন্য ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তরে দু’টি ভাগ রয়েছে। একটি অংশ ওষুধ তৈরির বিষয়টি খতিয়ে দেখে। অন্য অংশ দোকানে ওষুধ বিক্রির বিষয়টি দেখে। নকল ওষুধ খুঁজে বের করার দায়িত্ব তাঁদের। তারজন্য আলাদা আধিকারিকও রয়েছেন। কিন্তু তিনি পূর্ত ভবনেই বেশি সময় কাটান বলে অভিযোগ।



