নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বর্ধমানেও ডেরা বাঁধছে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা। শহরের বাজেপ্রতাপপুর এলাকা থেকে রাজু আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। সুদীপ দাস নামে এক ব্যক্তি তাকে এরাজ্যে ঢুকতে সাহায্য করেছিল। পুলিস তাকেও গ্রেপ্তার করেছে। তাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে শেখ মাজেদ রহমান নামে আরও একজন গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃত ৩২ বছরের রাজু আহমেদ নিজেকে আওয়ামি লিগের নেতা বলে দাবি করেছে। বিএনপির অত্যাচারে সে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বলে পুলিসকে জানিয়েছে।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, অবৈধভাবে বসবাস করার জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে বৈধ কোনও নথি দেখাতে পারেনি। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত রাজুর বাড়ির বাংলাদেশের কুরশাহপুর গ্রামে। সে বেশ কিছুদিন আগেই সীমান্ত টপকে এরাজ্যে ঢোকে। আসানসোলের সুদীপ দাস তাকে টাকার বিনিময়ে এরাজ্যে নিয়ে আসে। বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুরে ঘরভাড়ার ব্যবস্থা সে-ই করে দিয়েছিল। বাড়ির মালিক শেখ শেখ মাজেদ রহমান সবকিছু জেনেও তাকে ঘরভাড়া দেয়। ১৭ফেব্রুয়ারি বর্ধমান থানার এক এসআই সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারেন বাজেপ্রতাপপুরে এক বাংলাদেশি আশ্রয় নিয়েছে। এরপরই সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথমে ওই বাংলাদেশি দাবি করে তার কাছে বৈধ নথি রয়েছে। তা দেখানোর জন্য তাকে সময় দেওয়া হয়েছিল। সে দেখাতে না পারায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, খাগড়াগড় কাণ্ড থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে সন্দেহজনকভাবে কেউ এসে ঘরভাড়া নিচ্ছে কিনা তা সোর্সের মাধ্যমে খবর নেওয়া হয়। শহরের কয়েকটি এলাকায় বাড়তি নজরদারি দেওয়া হয়। তার সুফল পাওয়া গিয়েছে।
ওই বাংলাদেশিকে পুলিস পাকড়াও করল কীভাবে? পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি বাজেপ্রতাপপুরে ঘরভাড়া নেওয়ার পর প্রথম দিকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিল। কেউ তা টের পায়নি। পরে সে স্থানীয় লোকেদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। তার ভাষা শুনেই এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। খবর যায় পুলিসের সোর্সের কাছেও। তারপরই তার উপর নজরদারি চালানো হয়। ঘুঁটি সাজিয়ে সোমবার রাতে ওই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, সে প্রাণভয়ে এরাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশের আওয়ামি লিগ নেতা এবং কর্মীদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে বিরোধী গোষ্ঠী। অনেকের প্রাণ গিয়েছে। তাদের বাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। সেকারণেই সে নিজেকে বাঁচাতে এরাজ্যে আসে। দালালদের মাধ্যমে যোগাযোগ করে বর্ধমানে ঘরভাড়া নেয়। এদিকে রাজ্য পুলিসও অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে আসা লোকজনকে ধরপাকড় শুরু করেছে। বর্ধমানে ঘরভাড়া নিলে কেউ সন্দেহ করবে না বলে দালাল ওই বাংলাদেশিকে আশ্বাস দিয়ে এখানে নিয়ে আসে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না।
ওই বাংলাদেশিকে পুলিস পাকড়াও করল কীভাবে? পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি বাজেপ্রতাপপুরে ঘরভাড়া নেওয়ার পর প্রথম দিকে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিল। কেউ তা টের পায়নি। পরে সে স্থানীয় লোকেদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে। তার ভাষা শুনেই এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। খবর যায় পুলিসের সোর্সের কাছেও। তারপরই তার উপর নজরদারি চালানো হয়। ঘুঁটি সাজিয়ে সোমবার রাতে ওই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, সে প্রাণভয়ে এরাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশের আওয়ামি লিগ নেতা এবং কর্মীদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে বিরোধী গোষ্ঠী। অনেকের প্রাণ গিয়েছে। তাদের বাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। সেকারণেই সে নিজেকে বাঁচাতে এরাজ্যে আসে। দালালদের মাধ্যমে যোগাযোগ করে বর্ধমানে ঘরভাড়া নেয়। এদিকে রাজ্য পুলিসও অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে আসা লোকজনকে ধরপাকড় শুরু করেছে। বর্ধমানে ঘরভাড়া নিলে কেউ সন্দেহ করবে না বলে দালাল ওই বাংলাদেশিকে আশ্বাস দিয়ে এখানে নিয়ে আসে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না।



