সংবাদদাতা, বর্ধমান: দিনকয়েক আগে কলকাতার মোহনবাগান ও মহমেডান সহ চার দলকে নিয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করে রয়েল বুল ফুটবল অ্যাকাডেমি। সংস্থাটি বর্ধমান-কালনা রোডে কৃষি খামারের সরকারি জমিতে কোচিং ক্যাম্প চালায়। বছর দু’য়েক ধরে কোচিং ক্যাম্প চালাচ্ছে তারা। সেখান থেকে বেশ কয়েকজন ফুটবলার ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পরই স্থানীয় একটি ক্লাবের কয়েকজন কোচিং ক্যাম্প চালাতে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে সংস্থার তরফে জেলাশাসক সহ প্রশাসনের নানা মহলে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কোচিং ক্যাম্প যাতে চালাতে সমস্যা না হয় সংস্থার তরফে প্রশাসনের কাছে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। ক্লাব অবশ্য ঘটনায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে। ক্লাবের দাবি, স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে সমস্যা হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বললেই বিষয়টি মিটে যাবে।
Advertisement
বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক নিশীথ মালিক বলেন, বিষয়টি আমার কানে এসেছে। এনিয়ে আলোচনাও হয়েছে। সপ্তাহে তিনদিন মাঠে কোচিং ক্যাম্প চলবে। বাকি দিনগুলিতে স্থানীয় যুবকরা মাঠ ব্যবহার করবেন।
জেলা প্রশাসনকে লেখা চিঠিতে ফুটবল অ্যাকাডেমির সভাপতি সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেছেন, কৃষি খামারের অনুমতি নিয়ে সেখানে অ্যাকাডেমি চালানো হয়। অ্যাকাডেমি থেকে বেশ কয়েকজন ফুটবলার কলকাতার ক্লাবে ফুটবল খেলছেন। স্পন্দন মাঠে প্রতিযোগিতা হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় কয়েকজন তাঁদের অ্যাকাডেমির কোচিং ক্যাম্প চালাতে বাধা দিচ্ছেন। স্থানীয়দের বাধায় সমস্যার কারণে ক্যাম্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ক্যাম্পে আসা খেলোয়াড়, মাঠের কর্মী, অভিভাবকদের নানাভাবে ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এতে তাঁরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন।
জেলা প্রশাসনকে লেখা চিঠিতে ফুটবল অ্যাকাডেমির সভাপতি সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেছেন, কৃষি খামারের অনুমতি নিয়ে সেখানে অ্যাকাডেমি চালানো হয়। অ্যাকাডেমি থেকে বেশ কয়েকজন ফুটবলার কলকাতার ক্লাবে ফুটবল খেলছেন। স্পন্দন মাঠে প্রতিযোগিতা হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় কয়েকজন তাঁদের অ্যাকাডেমির কোচিং ক্যাম্প চালাতে বাধা দিচ্ছেন। স্থানীয়দের বাধায় সমস্যার কারণে ক্যাম্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ক্যাম্পে আসা খেলোয়াড়, মাঠের কর্মী, অভিভাবকদের নানাভাবে ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এতে তাঁরা নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন।



