নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করতে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল বর্ধমান পুরসভা। অনুমতি না নিয়ে বহুতল তৈরির অভিযোগে এক বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার এফআইআর করা হয়েছে। পুলিস একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার বলেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাওয়ার হাউসপাড়ায় অনুমতি না নিয়ে চারতলা বিল্ডিং তৈরি করা হচ্ছিল। এদিন খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারদের পাশাপাশি সেখানে আমিও গিয়েছিলাম। বাড়ির মালিক কোনও বৈধ কাগজ দেখাতে না পারায় এফআইআর করা হয়েছে। আরও কয়েকজন আমাদের নজরে রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সেগুলিতে অভিযান চালানো হবে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরজুড়েই অবৈধ নির্মাণকারীদের রমরমা বেড়েছে। অনুমতি না নিয়ে নির্মাণ কাজ হওয়ায় পুরসভা রাজস্ব হারাচ্ছে। কোথাও দোতলার অনুমতি নিয়ে চারতলা করা হচ্ছে। কোথাও আবার অনুমতিই নেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গায় সরকারি জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, বহু অবৈধ নির্মাণ অনেক আগেই চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলিতে বসবাস শুরু হয়েছে। কড়া পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্যই বেআইনি নির্মাণকারীরা বেপরোয়া মনোভাব দেখাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পুরসভার আয় আরও কমে যাবে।
Advertisement
শহরের বাসিন্দারা বলেন, বিভিন্ন এলাকায় জলাভূমি ভরাট হচ্ছে। শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জোগাড় হয়েছে। সম্প্রতি পুরসভায় আটটি জলাভূমি ভরাটের অভিযোগ রয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান সেই তালিকা জেলাশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন। তারমধ্যে শশাঙ্ক বিল ভরাটের অভিযোগও রয়েছে। জেলাশাসক বলেন, অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কোথাও বেআইনিভাবে জলাভূমি ভরাট করতে দেওয়া যাবে না।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, জলাভূমি ভরাট বন্ধ করার পাশাপাশি অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও কর্তৃপক্ষ উঠে পড়ে লেগেছে। আরও কয়েকটি বাড়ির মালিককে প্রথমে নোটিস করা হবে। বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধেও এফআইআর হবে। অনুমতি না নিলে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করা হবে। প্রয়োজনে অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হতে পারে। কোর্টের নির্দেশে তিন-চারটি নির্মাণ আগে ভাঙাও হয়েছে। এবার পুরসভা নিজে উদ্যোগ নিয়ে তা করবে। চেয়ারম্যান বলেন, অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোন রং দেখা হবে না। যে বা যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর হবে।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, জলাভূমি ভরাট বন্ধ করার পাশাপাশি অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও কর্তৃপক্ষ উঠে পড়ে লেগেছে। আরও কয়েকটি বাড়ির মালিককে প্রথমে নোটিস করা হবে। বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধেও এফআইআর হবে। অনুমতি না নিলে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করা হবে। প্রয়োজনে অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হতে পারে। কোর্টের নির্দেশে তিন-চারটি নির্মাণ আগে ভাঙাও হয়েছে। এবার পুরসভা নিজে উদ্যোগ নিয়ে তা করবে। চেয়ারম্যান বলেন, অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করার ক্ষেত্রে কোন রং দেখা হবে না। যে বা যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর হবে।



