নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: কলকাতার বাঘাযতীনে ‘নীলাদ্রি বক্সি’ আবাসন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়তে দেখে রাজ্যবাসী চমকে গিয়েছেন। সারা জীবনের রোজগারের টাকা জমিয়ে অনেকেই সেখানে ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। চোখের সামনে তাঁরা নিজেদের স্বপ্নের ঘর ভেঙে পড়তে দেখেছেন। তবে এদৃশ্য শুধু কলকাতা নয়, বর্ধমানের মতো শহরেও দেখা যেতে পারে। অনেকেই এমনটা আশঙ্কা করছেন। আশঙ্কা অমূলক নয়, তা পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকারের কথাতেও স্পষ্ট। তিনি বলেন, আমরা বেশকিছু বেআইনি নির্মাণ আটকেছি। অবৈধ কাজ করার জন্য এফআইআরও করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও অনেকেই গায়ের জোরে বেআইনি নির্মাণ করেছে। আমরা সেগুলির তালিকা তৈরি করছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের নোটিস করা হবে। টাকার জন্য এক শ্রেণির প্রোমোটার মানুষের জীবন নিয়ে খেলবে এমনটা হতে পারে না।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরে ২০টির বেশি অবৈধ নির্মাণ রয়েছে। জলাভূমি ভরাট করেও বহুতল হয়েছে। সেগুলির কতটা টেকসই হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার বলেন, শহরে জি-প্লাস থ্রি’র অনুমতি নেওয়া হচ্ছে। অথচ তা জি-প্লাস এইট করা হচ্ছে। ঢলদিঘি এলাকায় একটি বহুতলের নির্মাণ কাজ পুরসভা বন্ধ করে। অনুমতি ছাড়া নির্মাণ করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল। কয়েক দিন পর আবার কাজ শুরু হয়ে গেল। এটা কীভাবে সম্ভব তা বোঝা গেল না। জলাজমি ভরাট করেও অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। সেগুলির ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই এক শ্রেণির প্রোমোটাররা বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, শহরের কয়েকটি জায়গায় বহুতল গড়ে উঠছে। সেই এলাকায় দমকল ঢুকতে পারবে না। অথচ সেখানে চার থেকে পাঁচতলা বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে। যেকোনও সময় বিপদ হতে পারে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন পুকুর ভরাট বন্ধ করতে উদ্যোগী হয়েছে। শহরে সম্প্রতি তিন থেকে চারটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছিল। জেলাশাসকের দপ্তরে তা নিয়ে অভিযোগ জমা হয়। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন। ভরাট হওয়া অংশ থেকে মাটি তুলে নেওয়া হয়েছে। পুকুর মালিকের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শহরের বাসিন্দারা বলেন, প্রশাসন এক বছর আগে এরকম কড়া পদক্ষেপ নিলে অনেক পুকুর বেঁচে যেত। অবৈধ নির্মাণও এত বেশি হতো না। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, শহরের কয়েকটি অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত হয়েছে। আরও কিছু এরকম নির্মাণ রয়েছে কি না সেটা আধিকারিকরা এলাকায় গিয়ে দেখবেন। কোথাও আবাসন ভেঙে অঘটন হলে তার দায় প্রোমোটারকে নিতে হবে। অনেকেই তিনতলার অনুমতি নিয়ে চারতলার বিল্ডিং তৈরি করছে। পুরসভার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। এক জনপ্রতিনিধি বলেন, অবৈধ নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। সেই কারণেই তারা কাউকে পরোয়া না করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, শহরের কয়েকটি জায়গায় বহুতল গড়ে উঠছে। সেই এলাকায় দমকল ঢুকতে পারবে না। অথচ সেখানে চার থেকে পাঁচতলা বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে। যেকোনও সময় বিপদ হতে পারে। সম্প্রতি জেলা প্রশাসন পুকুর ভরাট বন্ধ করতে উদ্যোগী হয়েছে। শহরে সম্প্রতি তিন থেকে চারটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছিল। জেলাশাসকের দপ্তরে তা নিয়ে অভিযোগ জমা হয়। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন। ভরাট হওয়া অংশ থেকে মাটি তুলে নেওয়া হয়েছে। পুকুর মালিকের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শহরের বাসিন্দারা বলেন, প্রশাসন এক বছর আগে এরকম কড়া পদক্ষেপ নিলে অনেক পুকুর বেঁচে যেত। অবৈধ নির্মাণও এত বেশি হতো না। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, শহরের কয়েকটি অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত হয়েছে। আরও কিছু এরকম নির্মাণ রয়েছে কি না সেটা আধিকারিকরা এলাকায় গিয়ে দেখবেন। কোথাও আবাসন ভেঙে অঘটন হলে তার দায় প্রোমোটারকে নিতে হবে। অনেকেই তিনতলার অনুমতি নিয়ে চারতলার বিল্ডিং তৈরি করছে। পুরসভার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। এক জনপ্রতিনিধি বলেন, অবৈধ নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। সেই কারণেই তারা কাউকে পরোয়া না করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।



