নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: চলতি মাসেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ক্যান্সার ইউনিটের ইন্ডোর পরিষেবা চালু হতে চলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২১নভেম্বর এই বিভাগের ইন্ডোর পরিষেবা চালু হয়ে যাবে। দুই বর্ধমান ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং হুগলির একটা বড় অংশের রোগীরা উপকৃত হবেন। এমএসভিপি তাপস ঘোষ বলেন, ইন্ডোরে আপাতত ৪০টি বেড দিয়ে পরিষেবা শুরু হবে। পরে ধাপে ধাপে বেডের সংখ্যা বাড়বে। বিল্ডিংয়ের বেশকিছু কাজ এখনও বাকি আছে। বিশেষ করে ইলেক্ট্রিকের কাজ শেষ হয়নি। তা সম্পূর্ণ হলেই বেডের সংখ্যা বেড়ে যাবে।
Advertisement
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আউটডোর পরিষেবা দেড় বছর আগেই চালু হয়েছে। ১৫০ থেকে ১৬০জন রোগী চিকিৎসা করান। কেমোথেরাপিও চালু হয়েছে। চিকিৎসক সুপর্ণা ঘোষ বলেন, বিভিন্ন কারণে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। প্রতিদিনই আউটডোরে ২৫-৩০ জন নতুন রোগী আসছেন। এছাড়া পুরনো রোগীরাও রয়েছেন। গড়ে ৩২-৩৫ জন রোগী কেমোথেরাপি পাচ্ছেন। টিউমার অপারেশনও চলছে। ইন্ডোর চালু হয়ে গেলে আরও ভালোভাবে পরিষেবা দেওয়া যাবে। তবে অত্যাধুনিক আরও কিছু মেশিনের দরকার রয়েছে। আশা করা যায় সেগুলি দ্রুত পাওয়া যাবে। আর এক চিকিৎসক বলেন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া বহু পরিবারের লোকজন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বাইরে চিকিৎসা পেতে হলে তাদের সর্বস্বান্ত হতে হয়। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া গেলেও বাড়তি টাকাও খরচ হয়। সেটা বহন করার মতো ক্ষমতা সবার থাকে না।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বার্ন ইউনিট তৈরির কাজও দ্রুতগতিতেই চলছে। সামনের বছরের মধ্যেই নতুন বিল্ডিংয়ে চিকিৎসা দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রমা কেয়ারের কাজও শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের দাবি, ক্যান্সার ইউনিটে অত্যাধুনিক মেশিন খুব প্রয়োজন। সেগুলি পাঠানোর জন্য স্বাস্থ্য ভবনে চিঠিও করা হয়েছে। বাবুরবাগে ক্যান্সার ইউনিট তৈরি করতে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আরও কিছু টাকা খরচ করে মেশিনগুলি আনার পরিকল্পনা রয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের। ইন্ডোরে মোট ১০০টি বেড থাকবে। ধাপে ধাপে সেগুলি চালু করা হবে।
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা মুর্শিদাবাদের সালারের বাসিন্দা বোল্ডার শেখ বলেন, আউটডোরে প্রতিদিনই লম্বা লাইন পড়ে যায়। ইন্ডোর পরিষেবা চালু হওয়া খুব দরকার ছিল। আর্থিক কারণে বেসরকারি জায়গায় চিকিৎসা করতে না পেরে অনেকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া গেলে সেটা হবে না। হাসপাতালের আর এক আধিকারিক বলেন, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ সহ আরও কয়েকটি জায়গায় এধরনের পরিষেবা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সব জায়গাতেই আউটডোরে চিকিৎসা করা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে প্রথম বর্ধমান জেলাতেই ইন্ডোর পরিষেবা শুরু হতে চলেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বার্ন ইউনিট তৈরির কাজও দ্রুতগতিতেই চলছে। সামনের বছরের মধ্যেই নতুন বিল্ডিংয়ে চিকিৎসা দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রমা কেয়ারের কাজও শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের দাবি, ক্যান্সার ইউনিটে অত্যাধুনিক মেশিন খুব প্রয়োজন। সেগুলি পাঠানোর জন্য স্বাস্থ্য ভবনে চিঠিও করা হয়েছে। বাবুরবাগে ক্যান্সার ইউনিট তৈরি করতে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আরও কিছু টাকা খরচ করে মেশিনগুলি আনার পরিকল্পনা রয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের। ইন্ডোরে মোট ১০০টি বেড থাকবে। ধাপে ধাপে সেগুলি চালু করা হবে।
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা মুর্শিদাবাদের সালারের বাসিন্দা বোল্ডার শেখ বলেন, আউটডোরে প্রতিদিনই লম্বা লাইন পড়ে যায়। ইন্ডোর পরিষেবা চালু হওয়া খুব দরকার ছিল। আর্থিক কারণে বেসরকারি জায়গায় চিকিৎসা করতে না পেরে অনেকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া গেলে সেটা হবে না। হাসপাতালের আর এক আধিকারিক বলেন, মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ সহ আরও কয়েকটি জায়গায় এধরনের পরিষেবা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সব জায়গাতেই আউটডোরে চিকিৎসা করা হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে প্রথম বর্ধমান জেলাতেই ইন্ডোর পরিষেবা শুরু হতে চলেছে।



