সংবাদদাতা, বর্ধমান: বর্ধমান থানার হরিনারায়ণপুরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম মল্লিকা বিশ্বাস(২৬)। গত ২৭ ডিসেম্বর শ্বশুরবাড়িতে তিনি অগ্নিদগ্ধ হন। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রবিবার বিকেলে তিনি মারা যান। তাঁকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে বলে মৃতার বাপেরবাড়ির অভিযোগ। ঘটনায় মৃতার শাশুড়ি ও ননদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। বর্তমানে তারা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে হরিনারায়ণপুরের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে মল্লিকার বিয়ে হয়েছিল। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।
Advertisement
বাপেরবাড়ির অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে মল্লিকার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয়। বাপেরবাড়ি থেকে তাঁকে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তা দিতে না পারায় তাঁর উপর নির্যাতন চালানো হতো। মৃতার বাবা ক্ষুদিরাম লেট বলেন, বিয়ের কিছুদিন পর মেয়েকে বাপেরবাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হয়। শ্বশুরবাড়িতে নির্যাতন চালানো হতো। ঘটনার দিন মেয়ের গায়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন আগুন লাগিয়ে দেয়।
বর্ধমানে আত্মঘাতী মহিলা: বর্ধমান বিরুটিকরি এলাকায় ভাইপোর বাড়িতে কীটনাশক খেয়ে এক মহিলা আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম কল্পনা ঘোষ(৪০)। হুগলির পুরশুড়া থানা এলাকায় তাঁর বাড়ি। বর্তমানে তিনি বিরুটিকরিতে ভাইপোর বাড়িতে থাকতেন। শনিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। মানসিক অবসাদে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
খণ্ডঘোষে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু: খণ্ডঘোষ থানার ইন্দুটি গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম সনাতন রায়(৫৫)। রবিবার সন্ধ্যায় ঘরে বাল্ব লাগাতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরিবারের লোকজন তাঁকে খণ্ডঘোষ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বড়ঞায় আত্মঘাতী বৃদ্ধা: মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার বৈদ্যনাথপুরে কীটনাশক খেয়ে এক বৃদ্ধা আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম ঝর্ণা বিবি(৬৩)। শনিবার সকালে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে মুর্শিদাবাদের কান্দি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সোমবার সকালে তিনি মারা যান। সাংসারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু: হুগলির গুড়াপ থানা এলাকায় জাতীয় সড়কে গাড়ির ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম জয়রাম সাহা(৪৫)। ঝাড়খণ্ডে তাঁর বাড়ি। তিনি গুড়াপের একটি কারখানায় কাজ করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে হেঁটে জাতীয় সড়ক পার হওয়ার সময় একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা মেরে পালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সোমবার সকালে তিনি মারা যান।
বর্ধমানে আত্মঘাতী মহিলা: বর্ধমান বিরুটিকরি এলাকায় ভাইপোর বাড়িতে কীটনাশক খেয়ে এক মহিলা আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম কল্পনা ঘোষ(৪০)। হুগলির পুরশুড়া থানা এলাকায় তাঁর বাড়ি। বর্তমানে তিনি বিরুটিকরিতে ভাইপোর বাড়িতে থাকতেন। শনিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। মানসিক অবসাদে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
খণ্ডঘোষে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু: খণ্ডঘোষ থানার ইন্দুটি গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম সনাতন রায়(৫৫)। রবিবার সন্ধ্যায় ঘরে বাল্ব লাগাতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরিবারের লোকজন তাঁকে খণ্ডঘোষ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বড়ঞায় আত্মঘাতী বৃদ্ধা: মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার বৈদ্যনাথপুরে কীটনাশক খেয়ে এক বৃদ্ধা আত্মঘাতী হয়েছেন। মৃতার নাম ঝর্ণা বিবি(৬৩)। শনিবার সকালে বাড়িতে তিনি কীটনাশক খান। তাঁকে মুর্শিদাবাদের কান্দি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সোমবার সকালে তিনি মারা যান। সাংসারিক অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি।
পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু: হুগলির গুড়াপ থানা এলাকায় জাতীয় সড়কে গাড়ির ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম জয়রাম সাহা(৪৫)। ঝাড়খণ্ডে তাঁর বাড়ি। তিনি গুড়াপের একটি কারখানায় কাজ করতেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে হেঁটে জাতীয় সড়ক পার হওয়ার সময় একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা মেরে পালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সোমবার সকালে তিনি মারা যান।



