নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়কে রোল মডেল করে তুলতে চায় কর্তৃপক্ষ। রবিবার স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিবস উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উপাচার্য শঙ্করকুমার নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন কী পরিস্থিতি সবাই জানেন। অনেক সময় অনুপ্রবেশের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি বিঘ্নিত হয়। বাইরের লোক এসে যাতে শান্তি বিঘ্নিত করতে না পারে তা দেখতে হবে। জেলা প্রশাসনকেও বিষয়টি জানিয়েছি। আমরা চাই না বাইরের কোনও শক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে হস্তক্ষেপ করুক। আমরা আমাদের মতো চলব। বেশকিছু নতুন কাজ শুরু করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল বাড়ানোর চেষ্টা করছি। সবসময় রাজ্য সরকারের উপর নির্ভর করে থাকলে হবে না।
Advertisement
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক মাস ধরে ক্যাম্পাসে অস্থির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। ক্যাম্পাসে কার্যত দু’টি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছিল। তাদের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলতে থাকে। কয়েকদিন আগে এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে পোস্টারও পড়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে কয়েক কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। পুলিস ওই ঘটনার তদন্তে নেমে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু মূল চক্রী অধরা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় পরিকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কাজও থমকে ছিল। দীর্ঘদিন ইসি বৈঠক হয়নি। নতুন ভিসি নিয়োগ হওয়ার পর কয়েকটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। ওই কমিটি বিভিন্ন দপ্তরের কাজ খতিয়ে দেখবে। এছাড়া আয় বাড়ানোর জন্য বেশকিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আউটলেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষের একাংশর দাবি, স্থায়ী উপাচার্য আগে পাঠানো হলে জট পাকত না। বিশেষ করে ইসির বৈঠক না হওয়ায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষ নিতে পারেনি। তহবিলের দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়টিও সামনে আসেনি। ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। রিপোর্টও জমা হয়। কিন্তু ইসির বৈঠক না হওয়ায় তা সেই ফাইল এখনও খোলেনি।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবেকানন্দের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জেলাশাসক আয়েশা রানি এ, পুলিস সুপার সায়ক দাস, বিধায়ক খোকন দাস সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জেলাশাসক বলেন, যুব সমাজকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বিবেকানন্দ পড়তে হবে। অনেক বিষয় তাঁরা জানতে পারবেন। পুলিস সুপার বলেন, বিবেকানন্দ পড়লে অনুপ্রাণিত হওয়া যায়। মানসিক শক্তি বাড়ে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানেই বিশ্ববিদ্যালয়কে রোল মডেল করার কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সবকিছু রয়েছে। এখানকার পড়ুয়ারাও যথেষ্ট বুদ্ধিমান। তাঁরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন। বিশ্ববিদ্যালয় নতুন করে পথ চলবে। বিভিন্ন দপ্তরে কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তাঁরা কাজ দেখছেন। প্রয়োজন মতো পরামর্শ দিচ্ছেন। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালোই হবে।
এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবেকানন্দের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে জেলাশাসক আয়েশা রানি এ, পুলিস সুপার সায়ক দাস, বিধায়ক খোকন দাস সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। জেলাশাসক বলেন, যুব সমাজকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বিবেকানন্দ পড়তে হবে। অনেক বিষয় তাঁরা জানতে পারবেন। পুলিস সুপার বলেন, বিবেকানন্দ পড়লে অনুপ্রাণিত হওয়া যায়। মানসিক শক্তি বাড়ে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানেই বিশ্ববিদ্যালয়কে রোল মডেল করার কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সবকিছু রয়েছে। এখানকার পড়ুয়ারাও যথেষ্ট বুদ্ধিমান। তাঁরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন। বিশ্ববিদ্যালয় নতুন করে পথ চলবে। বিভিন্ন দপ্তরে কমিটি তৈরি করা হয়েছে। তাঁরা কাজ দেখছেন। প্রয়োজন মতো পরামর্শ দিচ্ছেন। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালোই হবে।



